ড.আতিউর রহমান : রাখাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
By : RABBY
অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ড.আতিউর রহমানের ছেলেবেলা কেটেছে গরু-ছাগল চড়িয়ে! সেখান থেকে আজকের অবস্থানে পৌছাতে তাঁকে অনেক ত্যাগ স্বীকার ও সংগ্রাম করতে হয়েছে।
প্রিয় পাঠক আসুন সেই কাহিনী শুনি তাঁর নিজের-ই মুখে:— আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে । ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে । পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন ।
আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন । কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।
আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিল মোটামুটি । কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি । দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম । মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন । তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয় ।
আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিল মোটামুটি । কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি । দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম । মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন । তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয় ।
চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো । দারিদ্র্য কি জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি-খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই, কি এক অবস্থা!!
আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন । তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি । তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই । কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে,আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম,তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলো না । বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন । আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।
আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাঁসি ছিল । আমি সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চড়াতাম।
আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন । তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি । তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই । কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে,আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম,তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলো না । বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন । আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।
আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাঁসি ছিল । আমি সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চড়াতাম।
বিকেল বেলা গাভীর দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম । এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোন রকমে দিন কাটছিল । কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই । প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম । পড়াশোনা তো বন্ধই,আদৌ কি করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না।
এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে । স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেয়ার মতো কোন জামা নেই । খালি গা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি । স্কুলে পৌছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ । আমার মনে হলো,আমিতো আর সবার মতোই হতে পারতাম । সিদ্ধান্ত নিলাম,আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।
নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম,আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো । তিনি বললেন,ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।
নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম,আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো । তিনি বললেন,ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।
পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম । বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন । আমি বাইরে দাড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বললেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগটুকু দেওয়া হয় । কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন, সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয়!
স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম,স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল । তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগার করলেন । পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি । বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে । আমি আর এখানে থাকবো না । কারণ ঘরে খাবার নেই,পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।
মা বললেন, কোথায় যাবি? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্ট বয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো । ওর মায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে । যে ক’দিন কথা বলেছি,তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে । আমার বিশ্বাস, আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।
স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম,স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল । তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগার করলেন । পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি । বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে । আমি আর এখানে থাকবো না । কারণ ঘরে খাবার নেই,পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।
মা বললেন, কোথায় যাবি? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্ট বয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো । ওর মায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে । যে ক’দিন কথা বলেছি,তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে । আমার বিশ্বাস, আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।
দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি গেলাম । সব কিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন । আমার খাবার আর আশ্রয় জুটলো; শুরু হলো নতুন জীবন । নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম। প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায় ,জেদ কাজ করে মনে; আরো ভালোকরে পড়াশোনা করি।
যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো । আমি এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যাচ্ছে । ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন । আমি লক্ষ্য করলাম , পড়তে গিয়ে তিনি কেমন যেন দ্বিধান্বিত । আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন । তারপর ফল ঘোষনা করলেন । আমি প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাই আনন্দে কেঁদে ফেললেন । শুধু আমি নির্বিকার-যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।
বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য । আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভংগিতে হেঁটে আসছি । আর পিছনে এক দল ছেলেমেয়ে আমাকে নিয়ে হৈ চৈ করছে, স্লোগান দিচ্ছে । সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে গেল! আমার নিরক্ষক বাবা, যারঁ কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা- তিনিও আনন্দে আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে।যখন শুনলেন আমি ওপরের ক্লাসে উঠেছি, নতুন বই লাগবে, পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে নিয়ে গিয়ে ১২টাকায় বিক্রি করে দিল। তারপর আমাকে নিয়ে জামালপুর গেলেন। সেখানকার নবনূর লাইব্রেরী থেকে নতুন বই কিনলাম।
আমার জীবনযাত্রা এখন সর্ম্পূন বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়ে গেছি। ফয়েজ মৌলবী স্যার আমাকে তারঁ সন্তানের মত দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর,যতœ, øেহে আমি ফার্স্ট হয়েই পঞ্চম শ্রেনীতে উঠলাম।এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাশ মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তারঁ বাড়ীতে আমার আশ্রয় জুটলো।
প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথা জানতেন। তাই সবার বাড়তি আদর-ভালবাসা পেতাম।
প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথা জানতেন। তাই সবার বাড়তি আদর-ভালবাসা পেতাম।
আমি যখন সপ্তম শ্রেনীতে পেরিয়ে অষ্টম শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন কোথেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে আমাকে দেখালেন। ওটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পূরণ করে পাঠালাম।
এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিল আতাউর রহমান। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে বলেছিলেন, এই ছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর করে দিলাম।
আমি রাত জেগে পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম। নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে রওনা হলাম। ওই আমার জীবনে প্রথম ময়মনসিংহ যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ। এত এত ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি। আমার মনে হলো, না আসাটাই ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। ভাবলাম হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠি পেলাম, আমি নির্বাচিত হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে।
সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো। শেষে স্কুলের কানাই লাল বিশ্বাসের ফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা শার্ট যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনার ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা শিখিয়ে দিলেন, মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার কাছে দাড়িঁয়ে বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার? ঠিক মতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরে বললাম যে, উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।
পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু আচঁ করে ফেললেন। পরম øেহে আমাকে বসালেন। মুহুর্তের মধ্যে তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলে আমার কোন ভয় নেই। পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজীতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আচঁ করতে পারলাম যে, আমাকে তাদেঁর পছন্দ হয়েছে। তবে তারাঁ কিছুুই বললেন না। পরদিন ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম। কারন আমি ধরে নিয়েছি আমার চান্স হবে না।
পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু আচঁ করে ফেললেন। পরম øেহে আমাকে বসালেন। মুহুর্তের মধ্যে তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলে আমার কোন ভয় নেই। পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজীতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আচঁ করতে পারলাম যে, আমাকে তাদেঁর পছন্দ হয়েছে। তবে তারাঁ কিছুুই বললেন না। পরদিন ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম। কারন আমি ধরে নিয়েছি আমার চান্স হবে না।
হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি এলো। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর মধ্যে ১০০ টাকা দেওয়া হবে, বাকি ৫০ টাকা আমার পরিবারকে যোগান দিতে হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙ্গে গেল। যেখানে আমার পরিবারের তিনবেলা খাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি, সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও করা যায় না!
এই যখন অবস্থা, তখন প্রথমবারের মতো আমার দাদা সবর হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ নিলেন। আমাকে অন্য চাচাদের কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো সুযোগ পেয়েও পড়তে পারবে না? কিন্তু তাদের অবস্থাও খুব বেশি ভালো ছিল না। তারাঁ বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে তো সম্ভব নয়। দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।
আমি আর কোন আশার আলো দেখতে না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন চিন্তা করবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন। সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘু-রলেন। সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য চাইলেন। সবাই সাধ্যমতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব মিলিয়ে ১৫০ টাকা হলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদ দিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।
আমি আর কোন আশার আলো দেখতে না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন চিন্তা করবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন। সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘু-রলেন। সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য চাইলেন। সবাই সাধ্যমতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব মিলিয়ে ১৫০ টাকা হলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদ দিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।
প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার আমাকে দেখতে এলেন। আমি সব কিছু খুলে বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার আর বেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিনমাস পর ক্যাডেট থেকে চলে যেতে হবে। সব শুনে স্যার আমার বিষয়টা বোর্ড মিটিয়ে তুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই থেকে আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।এস.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে ৫ম স্থান অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।
আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায় স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন যাকে যতটা পারি, সাধ্যমত সাহায্য সহযোগিতা করি। কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা!! সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না। শোধ হবার নয়!!
এক ক্লিকেই ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠান ফেসবুকের সব বন্ধুদের।
By : RABBYআশা করি সবাই ভালো আছেন।অনেক দিন পর টিটিতে টিউন করলাম।বর্তমানে সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক।এই নিয়ে বিস্তারিত বলার কোন প্রয়োজন নেই।আমার থেকে এর সম্বন্ধে
আপনারাই বেশি জানেন। ফেসবুকে আমরা আমাদের জনপ্রিয়তা,টিউনে বেশি লাইক,টিউন বেশি শেয়ার এর জন্য ফেন্ড লিষ্টে বন্ধু বাড়ানোর জন্য ওঠে পরে লাগি।আমার মত এই রকম যাদের স্বভাব তাদের কাজকে আর একটু সহজ করে দিতে আমার এই টিউন।যারা একটা একটা করে sent friend request botton চাপতে বিরক্ত হয়ে গেছেন তাদেরকে আজকে আমি এমন একটা ট্রিক্স শিখাব যার মাধ্যমে ২০০-২৫০ ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট সেন্ড করতে পারবেন এক ক্লিকেই।চলুন এবার ট্রিক্সটা দেখে নেই।
১। প্রথমে ফায়ারফক্স অথবা গুগল ক্রোমে ফেসবুক লগইন করুন।
২। এবার এড ফেন্ড এ যান এবং see all ক্লিক করেন।তারপর সাইড বার নিচের দিকে স্ক্রল করতে থাকেন।পুরো পেইজে যতজন লোক থাকবে ততটা রিকুয়েস্ট সেন্ড হবে।
৩। স্ক্রল করা শেষ হলে মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে Inspact Element এ যান।এরপর Console ক্লিক করুন।
৫। এবার Console এ ক্লিক করার পর একটা খালি বক্স আসবে।ওইটা তে নিচ থেকে ডাউনলোড করা স্ক্রিপটা Paste করে Enter চাপলেই দেখবেন সব ফেন্ড রিকয়েস্ট সেন্ড হয়ে গেছে।
স্ক্রিপ্ট ডাউনলোড করুন।
টিউনটি পরে যদি বুজতে না পারেন তাহলে আমার করা ভিডিও টিউটরিয়াল দেখেতে পারেন।
<iframe width="560" height="315" src="https://www.youtube.com/embed/gkYzqIJPsHI" frameborder="0" allowfullscreen></iframe>
ভিডিও টিউটরিয়াল লিঙ্কঃ https://youtu.be/gkYzqIJPsHI
VPS কি এবং কেন দরকার
By : RABBY
ভিপিএস (VPS) হল,ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (virtual private server)। একটা ডেডিকেটেট সার্ভারকে ভার্চুয়ালাইজেশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে একাধিক ভাগে ভাগ করে নোড (slice/node) তৈরী করা হয়। এই একেকটা নোড একেকটা ইন্ডিপেন্ডেট সার্ভারের মত কাজ করে। আর একেই ভিপিএস বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার বলা হয়।ভিপিএস ডেডিকেটেট সার্ভারের মতই অপারেটিং সিস্টেমে রান হয়ে থাকে, এবং ডেডিকেটেট সার্ভারের ন্যায় ইউজার কন্টোল থাকে, এবং ক্লায়নেট নিজের স্বাধীন মত সফটওয়্যার ইউজ করতে পারে। ভিপিএস সার্ভার ডেডিকেটেড সার্ভারের থেকে প্রাইজ কম হয়ে থাকে। এবং ভিপিএসে যেহেতু একটি ফিজিক্যাল হার্ডওয়ার ভাগ করে ইউজ হয়ে থাকে সেহেতু ভিপিএস এর তুলনায় ডেডিকেটেড সার্ভারের পারফর্মেন্স ভাল হবে। মুলত অধিক রিসোর্স এর অন্য ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করা হয় এবং অপেক্ষাকৃত কম রিসোর্স এর জন্য ভিপিএস সার্ভার ইউজ কয়া হয়।
যদি কেও Email Marketing করতে চান তাহলে VPS অনেক দরকারি
ফরেক্স ট্রেডাররা VPS এর নাম প্রায় সবাই শুনেছেন। মুলত যারা ওয়েব হোস্টিং করে থাকেন তারা অবশ্যই VPS ব্যবহার করে থাকেন। অবশ্য তাদের VPS গুলা হয় লিনাক্স বেজড। যারা ফরেক্স ট্রেড করে থাকেন তাদেরগুলা হবে Windows Server বেজড। কারণ আমরা Mt4 ব্যবহার করি এবং এর সবোর্ত্তম সুবিধা পাই কিন্তু Windows এ। যারা EA (ফরেক্স রোবট) ব্যবহার করে ট্রেড করেন, অথবা অতি মেধাবী কিছু কোডার যারা ব্রোকারের প্রাইছ ফিডের দুর্বলতা বের করে Arbitrage trading করেন স্পেশাল কিছু EA ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই ফরেক্স VPS ব্যবহার করেন।
ফরেক্স VPS মুলত একটি ভার্চুয়াল কম্পিউটার যা হাইস্পীডি এবং সবসময় দ্রুতগতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সম্পন্ন হবে। যা কখনো হ্যাং করেনা, বন্ধ হয়না, এবং কখনো নেটওয়ার্ক চলে যায়না। আমরা যারা ফরেক্স এ রোবট ব্যবহার করে থাকি তাদের সবসময় পিসি চালু রাখতে হয়। কখনো যদি পিসি বন্ধ বা হ্যাং হয়ে যায় তখন কিন্তু রোবট আর কাজ করেনা।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো VPS সার্ভারে এক্সিকিউশন আমাদের স্লো গতির ইন্টারনেট থেকে অনেক দ্রুত হয়ে থাকে। যার ফলে স্লিপেজ বা রিকোট সমস্যা হয়না বললেই চলে। আর যারা সবসময় ল্যাপটপ বা পিসির সামনে থাকতে পারেননা তারা চাইলেই কিন্তু মোবাইল থেকে সরাসরি VPS সার্ভারে লগইন করে মোবাইলেই Mt4 এর ক্লাসিক ইন্টারফেস যা পিসিতে থাকে সেটা দেখতে পারেন। এবং মোবাইল থেকেই সার্ভার নিয়ন্ত্রন করতে পারেন। সেটার জন্য google playstore এ অনেক এপস আছে।
আমি Remote RDP ব্যবহার করি VPS সার্ভার নিয়ন্ত্রনের জন্য।
মোটকথা যারা সিরিয়াস ট্রেডার এবং পার্সোনালি EA বা অটো স্ক্রীপ্ট ব্যবহার করে থাকেন তাদের জন্য কিন্তু FOREX VPS এর বিকল্প নেই।
VPS হোস্টিং এর কিছু সুবিধা নিচে দিলামঃ
1. Servers are Lighthttpd powered, your WordPress sites and Joomla sites with Ajax will run 10 times faster than Apache servers.
2. All business class hosting supported. Like PTC/E-Commerce Etc.
3. All hosting features, plugins are installed.
4. 100% Uptime (SLA) you will get.
5. 10 different language supported. Including Chinese as well..! Not open-source which only have 3 language.
6. Unlimited hosting facilities.
7. SSL installation facilities with dedicated IP.
8. You can also use that as your backup server.
VPS হোলো Virtual Private Server. অল্প টাকায় নিজের একটা server. আপনার যদি অনেক user/traffic থাকে কিংবা নিরাপত্তা সমস্যা থাকে তবে VPS হতে পারে ভালো সমাধান। যে হারে hacking চলছে তাতে VPS ই ভালো সমাধান। নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকবে সব কিছু।
কোথা থেকে VPS/Shared Hosting কিনবেন?
নিজের হাত দিয়া কিনবেন। নিজে নিজে দেখে কিনবেন। টাকা পরিশোধ করবেন MasterCard/Friend/আমাদের মাধ্যম দিয়া। আপনার পরিচিত freelancer থাকলে তার কার্ড দিয়া কিনতে পারেন। বাহিরে ফ্রেন্ড থাকলে তার সাহায্য নিতে পারেন। কোনো উপায় না থাকলে আমাদের সাহায্য নিতে পারেন।
আমি বাংলাদেশ এর একটি VPS Provider এর নাম বলবো খুব ভাল সার্ভিস দেয় Fog Hosting (এরা Email Marketing এর জন্য VPS দেয় with 16 ips)
অথবা আপনি চাইলে বাহিরের সার্ভিস ও নিতে পারবেন যেমন Hostgator , Godaddy (এরা email marketing এর জন্য VPS দেয় না :()
যদি কেও Email Marketing করতে চান তাহলে VPS অনেক দরকারি
ফরেক্স ট্রেডাররা VPS এর নাম প্রায় সবাই শুনেছেন। মুলত যারা ওয়েব হোস্টিং করে থাকেন তারা অবশ্যই VPS ব্যবহার করে থাকেন। অবশ্য তাদের VPS গুলা হয় লিনাক্স বেজড। যারা ফরেক্স ট্রেড করে থাকেন তাদেরগুলা হবে Windows Server বেজড। কারণ আমরা Mt4 ব্যবহার করি এবং এর সবোর্ত্তম সুবিধা পাই কিন্তু Windows এ। যারা EA (ফরেক্স রোবট) ব্যবহার করে ট্রেড করেন, অথবা অতি মেধাবী কিছু কোডার যারা ব্রোকারের প্রাইছ ফিডের দুর্বলতা বের করে Arbitrage trading করেন স্পেশাল কিছু EA ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই ফরেক্স VPS ব্যবহার করেন।
ফরেক্স VPS মুলত একটি ভার্চুয়াল কম্পিউটার যা হাইস্পীডি এবং সবসময় দ্রুতগতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সম্পন্ন হবে। যা কখনো হ্যাং করেনা, বন্ধ হয়না, এবং কখনো নেটওয়ার্ক চলে যায়না। আমরা যারা ফরেক্স এ রোবট ব্যবহার করে থাকি তাদের সবসময় পিসি চালু রাখতে হয়। কখনো যদি পিসি বন্ধ বা হ্যাং হয়ে যায় তখন কিন্তু রোবট আর কাজ করেনা।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো VPS সার্ভারে এক্সিকিউশন আমাদের স্লো গতির ইন্টারনেট থেকে অনেক দ্রুত হয়ে থাকে। যার ফলে স্লিপেজ বা রিকোট সমস্যা হয়না বললেই চলে। আর যারা সবসময় ল্যাপটপ বা পিসির সামনে থাকতে পারেননা তারা চাইলেই কিন্তু মোবাইল থেকে সরাসরি VPS সার্ভারে লগইন করে মোবাইলেই Mt4 এর ক্লাসিক ইন্টারফেস যা পিসিতে থাকে সেটা দেখতে পারেন। এবং মোবাইল থেকেই সার্ভার নিয়ন্ত্রন করতে পারেন। সেটার জন্য google playstore এ অনেক এপস আছে।
আমি Remote RDP ব্যবহার করি VPS সার্ভার নিয়ন্ত্রনের জন্য।
মোটকথা যারা সিরিয়াস ট্রেডার এবং পার্সোনালি EA বা অটো স্ক্রীপ্ট ব্যবহার করে থাকেন তাদের জন্য কিন্তু FOREX VPS এর বিকল্প নেই।
VPS হোস্টিং এর কিছু সুবিধা নিচে দিলামঃ
1. Servers are Lighthttpd powered, your WordPress sites and Joomla sites with Ajax will run 10 times faster than Apache servers.
2. All business class hosting supported. Like PTC/E-Commerce Etc.
3. All hosting features, plugins are installed.
4. 100% Uptime (SLA) you will get.
5. 10 different language supported. Including Chinese as well..! Not open-source which only have 3 language.
6. Unlimited hosting facilities.
7. SSL installation facilities with dedicated IP.
8. You can also use that as your backup server.
VPS হোলো Virtual Private Server. অল্প টাকায় নিজের একটা server. আপনার যদি অনেক user/traffic থাকে কিংবা নিরাপত্তা সমস্যা থাকে তবে VPS হতে পারে ভালো সমাধান। যে হারে hacking চলছে তাতে VPS ই ভালো সমাধান। নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকবে সব কিছু।
কোথা থেকে VPS/Shared Hosting কিনবেন?
নিজের হাত দিয়া কিনবেন। নিজে নিজে দেখে কিনবেন। টাকা পরিশোধ করবেন MasterCard/Friend/আমাদের মাধ্যম দিয়া। আপনার পরিচিত freelancer থাকলে তার কার্ড দিয়া কিনতে পারেন। বাহিরে ফ্রেন্ড থাকলে তার সাহায্য নিতে পারেন। কোনো উপায় না থাকলে আমাদের সাহায্য নিতে পারেন।
আমি বাংলাদেশ এর একটি VPS Provider এর নাম বলবো খুব ভাল সার্ভিস দেয় Fog Hosting (এরা Email Marketing এর জন্য VPS দেয় with 16 ips)
অথবা আপনি চাইলে বাহিরের সার্ভিস ও নিতে পারবেন যেমন Hostgator , Godaddy (এরা email marketing এর জন্য VPS দেয় না :()
প্রিয় বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ও তার জীবনী এবং আবিষ্কার।
By : RABBY
গ্যালিলিও একজন বিখ্যাত ইতালিয়ান বিজ্ঞানী যিনি বিশেষত স্বর্নের খাদ ও পৃথিবী সুর্যের চারপাশে ঘুরছে এই তত্বের জন্য বিখ্যাত। তিনি ১৫৬৪ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে ইতালির টুসকানিতে অবস্থিত পিসা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ভিনসেঞ্জো গ্যালিলি গণিতজ্ঞ এবং সংগীতশিল্পী ছিলেন। ভিনসেঞ্জো ১৫২০ সালে ইতালির ফ্লোরেনসে জন্ম নেন। তার মা’র নাম গিউলিয়া আমানাটি (Giulia Ammannati)। গ্যালিলিও ছিলেন বাবা মা’র সাত সন্তানের (কারও কারও মতে ৬) মধ্যে সবার বড়। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে তিনি ভাইবোনদের মধ্যে সবচেয়ে মেধাবীও ছিলেন।
বেশ অল্প বয়স থেকে গ্যালিলিওর শিক্ষাজীবন শুরু হয়। সাধারণ শিক্ষার পর তিনি পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার দরুণ সেখানেই তার পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে হয়। তার পরেও ১৫৮৯ সালে গ্যালিলিও পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার জন্য একটি পদ পান এবং সেখানে গণিত পড়ানো শুরু করেন। এর পরপরই তিনি পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান এবং সেখানকার অনুষদে জ্যামিতি, বলবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে ১৬১০ সালের পূর্ব পর্যন্ত অধ্যাপনা করেন। এই সময়ের মধ্যেই তিনি বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে ভাবেন এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করেন।
একজন ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, গণিতজ্ঞ এবং দার্শনিক যিনি বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সাথে বেশ নিগূঢ়ভাবে সম্পৃক্ত। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি সাধন যা জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে, বিভিন্ন ধরণের অনেক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ, নিউটনের গতির প্রথম এবং দ্বিতীয় সূত্র, এবং কোপারনিকাসের মতবাদের পক্ষে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ। বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের মতে আধুনিক যুগে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের এতো বিশাল অগ্রগতির পেছনে গ্যালিলিওর চেয়ে বেশি অবদান আর কেউ রাখতে পারেনি। তাকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক,আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক এবং এমনকি আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। এরিস্টটলীয় ধারণার অবসানে গ্যালিলিওর আবিষ্কারগুলোই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
বিজ্ঞানে গ্যালিলিওর অবদানঃ
অস্বীকার করার উপায় নেই যে গ্যালিলিওর হাতেই আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সুচনা ঘটে। তিনিই প্রথম পর্যবেক্ষন ও পরিক্ষালব্ধ ভাবে দেখান, যে কোন কিছু কেন হয় ? কিভাবে হয় ?।
গানিতিক তত্বের নির্মান ও তা থেকে বৈজ্ঞানিক ধারার সুচনা প্রথম স্থাপন করেন গ্যালিলিও। আসুন তার কিছু উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার সম্পর্কে জানিঃ-
দূরবীক্ষণ যন্ত্রের আবিস্কারঃ
১৬০৯ সালে গ্যালিলিও স্বাধীনভাবে এবং উন্নত ধরনের দূরবীক্ষণ যন্ত্র নির্মাণ ও এই যন্ত্রকে জ্যোতির্বিদ্যায় সার্থকভাবে প্রয়োগের করেন। এর আগে ১৬০৮ খ্রীষ্টাব্দে ওলন্দাজ চশমা নির্মাতা লিপেরশাইম তার নির্মিত এক দূরবীক্ষণ যন্ত্রের কথা প্রকাশ করেন এবং সেই বছরেই এই অদ্ভুত কাচ নির্মিত যন্ত্রের কথা গ্যালিলিওর নিকট পৌঁছে। এসময় তিনি তার এক রচনায় লিখেন: “প্রায় ১০ মাস পূর্বে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছে যে জনৈক ওলন্দাজ চশমা নির্মাতা এমন এক যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন যার দ্বারা দূরবর্তী বস্তুদের নিকটবর্তী বস্তুর মতো স্পষ্ট দেখা যায়। এ খবর পাওয়া মাত্র আমি নিজে কিভাবে এরূপ একটি যন্ত্র নির্মাণ করতে পারি তা চিন্তা করতে লাগলাম।” শীঘ্রই দূরবীক্ষণ যন্ত্রের নানা উন্নতি সাধন করে গ্যালিলিও দূরবর্তী বস্তুদের অন্তত ৩০ গুণ বড় করে দেখার ব্যবস্থা করেন।
চাঁদের কলঙ্কের কারণ আবিস্কারঃ
দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে জ্যোতিষ্কদের প্রথম পর্যবেক্ষণের ফল ‘সাইডরিয়াস নানসিয়াস’ বা ‘নক্ষত্র থেকে সংবাদবাহক’ গ্রন্থে লিপিবব্ধ হয় (প্রকাশকাল ১৬১০ খ্রীষ্টাব্দ)।
চাঁদের পৃষ্ঠের খাদ, ছোট-বড় অনেক দাগ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে এই গ্রন্থে আলোচিত হয়। ভূপৃষ্ঠের ন্যায় চাঁদের উপরিভাগে যে পাহাড়, পর্বত, উপত্যকা, নদী, গহ্বর, জলাশয় প্রভৃতির দ্বারা গঠিত গ্যালিলিও এইরূপ অভিমত ব্যক্ত করেন। দূরবীক্ষণ যন্ত্রে বড় বড় কাল
দাগ দেখে তিনি তাদের সমুদ্র মনে করেছিলেন, পরে অবশ্য এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়।
ছায়াপথ, বিষমতারা, নক্ষত্রপুঞ্জ, নীহারিকাঃ
খালি চোখে অদৃশ্য অসংখ্য নক্ষত্রের অস্তিত্ব দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ধরা পড়ে। সে সময় খালি চোখে কৃত্তিকা তারামণ্ডলে মাত্র ৬টি নক্ষত্র দেখা যেত; কিন্তু গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্রের দ্বারা ৩৬টি নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করেন। সে সময়ের রহস্যময় ছায়াপথ মিল্কিওয়ে পর্যবেক্ষণ করে দেখান যে, তা আসলে অসংখ্য নক্ষত্রের সমষ্টি। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে তিনি বিষমতারা, নক্ষত্রপুঞ্জ এবং কয়েকটি নীহারিকাও আবিষ্কার করেছিলেন।
বৃহষ্পতি গ্রহের উপগ্রহ আবিষ্কারঃ
দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে গ্যালিলিও প্রথম পর্যায়ের আবিষ্কারগুলোর মধ্যে বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহ আবিষ্কার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পরপর কয়েক রাত বৃহস্পতি গ্রহ পর্যবেক্ষণ করে বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ খুঁজে পান। বৃহস্পতির উপগ্রহের আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয় যে, ‘গ্রহ-নক্ষত্র প্রভৃতি জ্যোতিষ্করা একমাত্র পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে’, প্রাচীন জ্যোতির্বিদদের এই মতবাদ সত্য নয়।
শনির বলয়ঃ
১৬১০ খ্রীষ্টাব্দের শেষভাগে পাদুয়া পরিত্যাগের কিছু পূর্বে গ্যালিলিও শনির বলয় আবিষ্কার করেন।
সৌর কলঙ্কঃ
১৬১০ খ্রীষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে গ্যালিলিও সর্বপ্রথম সূর্যে কতগুলো কালো দাগ পর্যবেক্ষণ করেন। কিন্তু ১৬১২ খ্রীষ্টাব্দের মে মাসের পূর্বে তিনি এ আবিষ্কারের কথা প্রকাশ করেন নি। ইতিমধ্যে ইংল্যাণ্ডের বিজ্ঞানী টমাস হ্যারিয়ট, হল্যাণ্ডের জন ফ্যাব্রিসিয়াস ও জার্মানীতে শাইনার স্বাধীনভাবে সৌরকলঙ্ক পর্যবেক্ষণ করেন, এবং তাদের আবিষ্কারের কথা গ্যালিলিওর আগেই প্রকাশিত হয়। সেই জন্য সৌরকলঙ্ক আবিষ্কারের কৃতিত্ব হ্যারিয়ট, ফ্যাব্রিসিয়াস, শাইনার ও গ্যালিলিও প্রত্যেকেরই আংশিকভাবে প্রাপ্য।
মৃত্যু ও শেষ জীবনঃ
গ্যালিলিও এবং মারিনা গ্যামবা তিন সন্তানের জন্ম দেন, কিন্তু তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি। গ্যালিলিও একজন নিবেদিত রোমান ক্যাথলিক ছিলেন বলে যে ধারণা প্রচলিত আছে তা মেনে নিলে তার বিবাহবহির্ভূত এই যৌনাচার অনেকটাই অবাস্তব মনে হয়। তাদের দুই মেয়ে (ভার্জিনিয়া ও লিভিয়া) এবং এক ছেলে (ভিনসেঞ্জিও) জন্মেছিলো। বিবাহবহির্ভূত সন্তান উৎপাদনের জন্য তাদের দুই মেয়েকেই স্বল্প বয়সে আরসেট্রিতে অবস্থিত সান মেটিও নামক চার্চে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তাদের দুই মেয়েকে বাকি জীবন সেখানেই পার করতে হয়েছিলো। কনভেন্টে প্রবেশের পর ভার্জিনিয় মারিয়া সেলেস্টি নাম ধারণ করে, সে-ই ছিলো গ্যালিলিওর সন্তানদের মধ্যে সবার বড়। ভার্জিনিয়া সবচেয়ে আদরের সন্তানও ছিলো এবং বাবার মেধার খানিকটা উত্তরাধিকার সে-ই লাভ করতে সমর্থ হয়েছিলো। ১৬৩৪ সালের ২ এপ্রিল তারিখে সে মারা যায়। তার কবর বাসিলিকা ডি সান্তা ক্রস ডি ফিরেঞ্জে গ্যালিলিওর কবরের পাশেই অবস্থিত। লিভিয়া (জ. ১৬০১) সুওর আরকাঞ্জেলা নাম ধারণ করে। বড় বোনের মত সে কিছু করে দেখাতে পারেনি, জীবনের বেশির ভাগ সময়ই সে অসুস্ত ছিলো। ছেলে ভিনসেঞ্জিও (জ. ১৬০৬) পরবর্তীতে বৈধ জাত্যাধিকারী হয় এবং সেসটিলা বচ্চিনারিককে (Sestilia Bocchineri) বিয়ে করে।
গ্যালিলিও মুর্তি
ফ্লোরেন্সের উফিজির বাইরে অবস্থিত মূর্তি
১৬১২ সালে গ্যালিলিও রোমে যেয়ে Accademia dei Lincei-তে যোগ দেন। সেখানে তিনি মূলত সৌর কলঙ্ক পযর্বেক্ষন করতেন। ঐ সালেই কোপারনিকাসের মতবাদের বিরোধী মতবাদ প্রচারিত হয় এবং গ্যালিলিও তা সমর্থন করেন। ১৬১৪ সালে সান্তা মারিয়া নভেলার প্রচারবেদিতে দাড়িয়ে ফাদার টমাসো কাচ্চিনি (Tommaso Caccini, ১৫৭৪ – ১৬৪৮) ব্যাখ্যা সহকারে পৃথিবীর গতি সম্পর্কে গ্যালিলিওর মতবাদ বর্ণনা করেন। এরপর সেই মতবাদের ভিত্তিতে তার বিচার করেন এবং ঘোষণা করেন যে, এগুলো ভয়ঙ্কর এবং ধর্মদ্রোহীতার শামিল। এধরণের অভিযোগ থেকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টায় তিনি রোমে যান। কিন্তু ১৬১৬ সালে কার্ডিনাল রবার্ট বেলারমাইন ব্যক্তিগতভাবে তার মামলাটি হাতে নেন এবং তাকে হেনস্ত করতে শুরু করেন। ধর্মীয় আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধায় কোপারনিকাসের তত্ত্বকে স্বীকৃতি দেয়া হয় এবং ধর্মীয় আইন হিসেবে কোপারনিকান জ্যোতির্বিজ্ঞান পড়তে বা পড়াতে বাধ্য করা হয়। ১৬২২ সালে গ্যালিলিও তার বিখ্যাত বই দ্য অ্যাসাইয়ার (Saggiatore) রচনা করেন যা ১৬২৩ সালে স্বীকৃতি পাওয়ার পর প্রকাশিত হয়। ১৬২৪ সালে পৃথিবীর প্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করেন। ১৬৩০ সালে তিনি রোমে ফিরে যান তার রচিত একটি বই প্রকাশের লাইসেন্স নেয়ার জন্য। বইটির নাম ছিল, ডায়ালগ কনসারনিং দ্য টু চিফ ওয়ার্ল্ড সিস্টেম্স। এটি এই লাইসেন্সের আওতায়ই ১৬৩২ সালে ফ্লোরেন্স থেকে প্রকাশিত হয়। ঐ বছরেরই অক্টোবর মাসে তাকে রোমের পবিত্র দপ্তরের (Holy Office) সম্মুখীন হতে হয়। কারণ ছিল “Congregation for the Doctrine of the Faith” (বিশ্বাসের উপদেশাবলীর জন্য সমাবেশ)। আদালত থেকে তাকে একটি দন্ডাদেশ দেওয়া হয় যার মাধ্যমে তাকে পূর্ববর্তী ধ্যান-ধারণা শপথের মাধ্যমে পরিত্যাগের জন্য বলা হয়। এই দন্ডাদেশের কার্যকারিতা প্রমাণের জন্যই তাকে সিয়েনায় একঘরে জীবন কাটাতে হয়। এর কিছু পর ১৬৩৩ সালের ডিসেম্বরে তাকে তার নিজ বাড়ি আরসেট্রিতে ফিরে যাবার অনুমতি দেয়া হয়। ১৬৩৪ সালে তার বড় মেয়ের মৃত্যুর পর গ্যালিলিও অনেকটাই ভেঙে পড়েন। বড় মেয়ে সিস্টার সেলেস্টি (১৬০০ – ১৬৩৪) তাকে সবসময় সঙ্গ দিতো, এই অকালমৃত্যুতে তাই গ্যালিলিও হয়ে পড়েন নিঃসঙ্গ। ১৬৩৮ সালে গ্যালিলিও লিডেন থেকে তার সর্বশেষ বই টু নিউ সায়েন্সেস প্রকাশ করেন। আরসেট্রিতে ১৬৪২ সালের ৮ই জানুয়ারি তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর সময় তার ছাত্র ভিনসেঞ্জো ভিভিয়ানি তার পাশে ছিলেন।
বেশ অল্প বয়স থেকে গ্যালিলিওর শিক্ষাজীবন শুরু হয়। সাধারণ শিক্ষার পর তিনি পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার দরুণ সেখানেই তার পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে হয়। তার পরেও ১৫৮৯ সালে গ্যালিলিও পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার জন্য একটি পদ পান এবং সেখানে গণিত পড়ানো শুরু করেন। এর পরপরই তিনি পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান এবং সেখানকার অনুষদে জ্যামিতি, বলবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে ১৬১০ সালের পূর্ব পর্যন্ত অধ্যাপনা করেন। এই সময়ের মধ্যেই তিনি বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে ভাবেন এবং বহু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করেন।
একজন ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, গণিতজ্ঞ এবং দার্শনিক যিনি বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সাথে বেশ নিগূঢ়ভাবে সম্পৃক্ত। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি সাধন যা জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে, বিভিন্ন ধরণের অনেক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ, নিউটনের গতির প্রথম এবং দ্বিতীয় সূত্র, এবং কোপারনিকাসের মতবাদের পক্ষে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ। বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের মতে আধুনিক যুগে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের এতো বিশাল অগ্রগতির পেছনে গ্যালিলিওর চেয়ে বেশি অবদান আর কেউ রাখতে পারেনি। তাকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক,আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক এবং এমনকি আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। এরিস্টটলীয় ধারণার অবসানে গ্যালিলিওর আবিষ্কারগুলোই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
বিজ্ঞানে গ্যালিলিওর অবদানঃ
অস্বীকার করার উপায় নেই যে গ্যালিলিওর হাতেই আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সুচনা ঘটে। তিনিই প্রথম পর্যবেক্ষন ও পরিক্ষালব্ধ ভাবে দেখান, যে কোন কিছু কেন হয় ? কিভাবে হয় ?।
গানিতিক তত্বের নির্মান ও তা থেকে বৈজ্ঞানিক ধারার সুচনা প্রথম স্থাপন করেন গ্যালিলিও। আসুন তার কিছু উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার সম্পর্কে জানিঃ-
দূরবীক্ষণ যন্ত্রের আবিস্কারঃ
১৬০৯ সালে গ্যালিলিও স্বাধীনভাবে এবং উন্নত ধরনের দূরবীক্ষণ যন্ত্র নির্মাণ ও এই যন্ত্রকে জ্যোতির্বিদ্যায় সার্থকভাবে প্রয়োগের করেন। এর আগে ১৬০৮ খ্রীষ্টাব্দে ওলন্দাজ চশমা নির্মাতা লিপেরশাইম তার নির্মিত এক দূরবীক্ষণ যন্ত্রের কথা প্রকাশ করেন এবং সেই বছরেই এই অদ্ভুত কাচ নির্মিত যন্ত্রের কথা গ্যালিলিওর নিকট পৌঁছে। এসময় তিনি তার এক রচনায় লিখেন: “প্রায় ১০ মাস পূর্বে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছে যে জনৈক ওলন্দাজ চশমা নির্মাতা এমন এক যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন যার দ্বারা দূরবর্তী বস্তুদের নিকটবর্তী বস্তুর মতো স্পষ্ট দেখা যায়। এ খবর পাওয়া মাত্র আমি নিজে কিভাবে এরূপ একটি যন্ত্র নির্মাণ করতে পারি তা চিন্তা করতে লাগলাম।” শীঘ্রই দূরবীক্ষণ যন্ত্রের নানা উন্নতি সাধন করে গ্যালিলিও দূরবর্তী বস্তুদের অন্তত ৩০ গুণ বড় করে দেখার ব্যবস্থা করেন।
চাঁদের কলঙ্কের কারণ আবিস্কারঃ
দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে জ্যোতিষ্কদের প্রথম পর্যবেক্ষণের ফল ‘সাইডরিয়াস নানসিয়াস’ বা ‘নক্ষত্র থেকে সংবাদবাহক’ গ্রন্থে লিপিবব্ধ হয় (প্রকাশকাল ১৬১০ খ্রীষ্টাব্দ)।
চাঁদের পৃষ্ঠের খাদ, ছোট-বড় অনেক দাগ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে এই গ্রন্থে আলোচিত হয়। ভূপৃষ্ঠের ন্যায় চাঁদের উপরিভাগে যে পাহাড়, পর্বত, উপত্যকা, নদী, গহ্বর, জলাশয় প্রভৃতির দ্বারা গঠিত গ্যালিলিও এইরূপ অভিমত ব্যক্ত করেন। দূরবীক্ষণ যন্ত্রে বড় বড় কাল
দাগ দেখে তিনি তাদের সমুদ্র মনে করেছিলেন, পরে অবশ্য এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়।
ছায়াপথ, বিষমতারা, নক্ষত্রপুঞ্জ, নীহারিকাঃ
খালি চোখে অদৃশ্য অসংখ্য নক্ষত্রের অস্তিত্ব দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ধরা পড়ে। সে সময় খালি চোখে কৃত্তিকা তারামণ্ডলে মাত্র ৬টি নক্ষত্র দেখা যেত; কিন্তু গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্রের দ্বারা ৩৬টি নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করেন। সে সময়ের রহস্যময় ছায়াপথ মিল্কিওয়ে পর্যবেক্ষণ করে দেখান যে, তা আসলে অসংখ্য নক্ষত্রের সমষ্টি। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে তিনি বিষমতারা, নক্ষত্রপুঞ্জ এবং কয়েকটি নীহারিকাও আবিষ্কার করেছিলেন।
বৃহষ্পতি গ্রহের উপগ্রহ আবিষ্কারঃ
দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে গ্যালিলিও প্রথম পর্যায়ের আবিষ্কারগুলোর মধ্যে বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহ আবিষ্কার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি পরপর কয়েক রাত বৃহস্পতি গ্রহ পর্যবেক্ষণ করে বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ খুঁজে পান। বৃহস্পতির উপগ্রহের আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয় যে, ‘গ্রহ-নক্ষত্র প্রভৃতি জ্যোতিষ্করা একমাত্র পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে’, প্রাচীন জ্যোতির্বিদদের এই মতবাদ সত্য নয়।
শনির বলয়ঃ
১৬১০ খ্রীষ্টাব্দের শেষভাগে পাদুয়া পরিত্যাগের কিছু পূর্বে গ্যালিলিও শনির বলয় আবিষ্কার করেন।
সৌর কলঙ্কঃ
১৬১০ খ্রীষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে গ্যালিলিও সর্বপ্রথম সূর্যে কতগুলো কালো দাগ পর্যবেক্ষণ করেন। কিন্তু ১৬১২ খ্রীষ্টাব্দের মে মাসের পূর্বে তিনি এ আবিষ্কারের কথা প্রকাশ করেন নি। ইতিমধ্যে ইংল্যাণ্ডের বিজ্ঞানী টমাস হ্যারিয়ট, হল্যাণ্ডের জন ফ্যাব্রিসিয়াস ও জার্মানীতে শাইনার স্বাধীনভাবে সৌরকলঙ্ক পর্যবেক্ষণ করেন, এবং তাদের আবিষ্কারের কথা গ্যালিলিওর আগেই প্রকাশিত হয়। সেই জন্য সৌরকলঙ্ক আবিষ্কারের কৃতিত্ব হ্যারিয়ট, ফ্যাব্রিসিয়াস, শাইনার ও গ্যালিলিও প্রত্যেকেরই আংশিকভাবে প্রাপ্য।
মৃত্যু ও শেষ জীবনঃ
গ্যালিলিও এবং মারিনা গ্যামবা তিন সন্তানের জন্ম দেন, কিন্তু তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি। গ্যালিলিও একজন নিবেদিত রোমান ক্যাথলিক ছিলেন বলে যে ধারণা প্রচলিত আছে তা মেনে নিলে তার বিবাহবহির্ভূত এই যৌনাচার অনেকটাই অবাস্তব মনে হয়। তাদের দুই মেয়ে (ভার্জিনিয়া ও লিভিয়া) এবং এক ছেলে (ভিনসেঞ্জিও) জন্মেছিলো। বিবাহবহির্ভূত সন্তান উৎপাদনের জন্য তাদের দুই মেয়েকেই স্বল্প বয়সে আরসেট্রিতে অবস্থিত সান মেটিও নামক চার্চে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তাদের দুই মেয়েকে বাকি জীবন সেখানেই পার করতে হয়েছিলো। কনভেন্টে প্রবেশের পর ভার্জিনিয় মারিয়া সেলেস্টি নাম ধারণ করে, সে-ই ছিলো গ্যালিলিওর সন্তানদের মধ্যে সবার বড়। ভার্জিনিয়া সবচেয়ে আদরের সন্তানও ছিলো এবং বাবার মেধার খানিকটা উত্তরাধিকার সে-ই লাভ করতে সমর্থ হয়েছিলো। ১৬৩৪ সালের ২ এপ্রিল তারিখে সে মারা যায়। তার কবর বাসিলিকা ডি সান্তা ক্রস ডি ফিরেঞ্জে গ্যালিলিওর কবরের পাশেই অবস্থিত। লিভিয়া (জ. ১৬০১) সুওর আরকাঞ্জেলা নাম ধারণ করে। বড় বোনের মত সে কিছু করে দেখাতে পারেনি, জীবনের বেশির ভাগ সময়ই সে অসুস্ত ছিলো। ছেলে ভিনসেঞ্জিও (জ. ১৬০৬) পরবর্তীতে বৈধ জাত্যাধিকারী হয় এবং সেসটিলা বচ্চিনারিককে (Sestilia Bocchineri) বিয়ে করে।
গ্যালিলিও মুর্তি
ফ্লোরেন্সের উফিজির বাইরে অবস্থিত মূর্তি
১৬১২ সালে গ্যালিলিও রোমে যেয়ে Accademia dei Lincei-তে যোগ দেন। সেখানে তিনি মূলত সৌর কলঙ্ক পযর্বেক্ষন করতেন। ঐ সালেই কোপারনিকাসের মতবাদের বিরোধী মতবাদ প্রচারিত হয় এবং গ্যালিলিও তা সমর্থন করেন। ১৬১৪ সালে সান্তা মারিয়া নভেলার প্রচারবেদিতে দাড়িয়ে ফাদার টমাসো কাচ্চিনি (Tommaso Caccini, ১৫৭৪ – ১৬৪৮) ব্যাখ্যা সহকারে পৃথিবীর গতি সম্পর্কে গ্যালিলিওর মতবাদ বর্ণনা করেন। এরপর সেই মতবাদের ভিত্তিতে তার বিচার করেন এবং ঘোষণা করেন যে, এগুলো ভয়ঙ্কর এবং ধর্মদ্রোহীতার শামিল। এধরণের অভিযোগ থেকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টায় তিনি রোমে যান। কিন্তু ১৬১৬ সালে কার্ডিনাল রবার্ট বেলারমাইন ব্যক্তিগতভাবে তার মামলাটি হাতে নেন এবং তাকে হেনস্ত করতে শুরু করেন। ধর্মীয় আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিধায় কোপারনিকাসের তত্ত্বকে স্বীকৃতি দেয়া হয় এবং ধর্মীয় আইন হিসেবে কোপারনিকান জ্যোতির্বিজ্ঞান পড়তে বা পড়াতে বাধ্য করা হয়। ১৬২২ সালে গ্যালিলিও তার বিখ্যাত বই দ্য অ্যাসাইয়ার (Saggiatore) রচনা করেন যা ১৬২৩ সালে স্বীকৃতি পাওয়ার পর প্রকাশিত হয়। ১৬২৪ সালে পৃথিবীর প্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করেন। ১৬৩০ সালে তিনি রোমে ফিরে যান তার রচিত একটি বই প্রকাশের লাইসেন্স নেয়ার জন্য। বইটির নাম ছিল, ডায়ালগ কনসারনিং দ্য টু চিফ ওয়ার্ল্ড সিস্টেম্স। এটি এই লাইসেন্সের আওতায়ই ১৬৩২ সালে ফ্লোরেন্স থেকে প্রকাশিত হয়। ঐ বছরেরই অক্টোবর মাসে তাকে রোমের পবিত্র দপ্তরের (Holy Office) সম্মুখীন হতে হয়। কারণ ছিল “Congregation for the Doctrine of the Faith” (বিশ্বাসের উপদেশাবলীর জন্য সমাবেশ)। আদালত থেকে তাকে একটি দন্ডাদেশ দেওয়া হয় যার মাধ্যমে তাকে পূর্ববর্তী ধ্যান-ধারণা শপথের মাধ্যমে পরিত্যাগের জন্য বলা হয়। এই দন্ডাদেশের কার্যকারিতা প্রমাণের জন্যই তাকে সিয়েনায় একঘরে জীবন কাটাতে হয়। এর কিছু পর ১৬৩৩ সালের ডিসেম্বরে তাকে তার নিজ বাড়ি আরসেট্রিতে ফিরে যাবার অনুমতি দেয়া হয়। ১৬৩৪ সালে তার বড় মেয়ের মৃত্যুর পর গ্যালিলিও অনেকটাই ভেঙে পড়েন। বড় মেয়ে সিস্টার সেলেস্টি (১৬০০ – ১৬৩৪) তাকে সবসময় সঙ্গ দিতো, এই অকালমৃত্যুতে তাই গ্যালিলিও হয়ে পড়েন নিঃসঙ্গ। ১৬৩৮ সালে গ্যালিলিও লিডেন থেকে তার সর্বশেষ বই টু নিউ সায়েন্সেস প্রকাশ করেন। আরসেট্রিতে ১৬৪২ সালের ৮ই জানুয়ারি তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর সময় তার ছাত্র ভিনসেঞ্জো ভিভিয়ানি তার পাশে ছিলেন।
(মেগা টিউন) !i!i! এবার বাংলাদেশ থেকে paypal ID ভেরিফাই করুন একদম সহজে !i!i সাথে থাকছে account limit দূর করা এবং Business একাউন্ট এ upgrade করার জন্য USA এর fake social security number
By : RABBY
আজকে একটি বিশাল বিষয় নিয়ে লিখতে যাচ্ছি। কিভাবে আপনি বাংলাদেশ থেকে paypal account verify করবেন। কাজটি খুবই কঠিন মনে হতে পারে আমাদের কাছে। তবে আপনি নির্দিশট কয়েকটি স্টেপ অনুসরন করলেই খুব সহজেই ভেরিফাই করতে পারবেন আপনার পেপাল। টেক্টিউন্স চেক করে দেখলাম আগেও এ নিয়ে ভাল একটি টিউন হয়েছিল। কিন্তু বিস্তারিত লেখা হয়নি। তাছাড়া একাউন্ট লিমিট হওয়ার সমস্যা তো আছেই। এর জন্য আপনার প্রয়োজন হতে পারে social security number যেহেতু আজকের পদ্ধহতি টি USA এর। যাই হোক শুরু করা যাক।
** US এর একাউন্ট যেহেতু তৈরি করছি সেহেতু আপনাকে এক ডিভাইস থেকে লগিন করতে হবে**
প্রথমেই আপনি এই সাইট থেকে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে নিন-
Fake Name Generator
এবার আপনি একটি পেপাল একাউন্ট তৈরি করবেন।
sign up for paypal
এবার আপনি আপনার collect করা ইনফরমেশান দিয়ে ফর্ম পূরন করুন।
বিঃ দ্রঃ বাংলাদেশ থেকে ২ ভাবে কম খরচে ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়া যায়।
এবার আপনি আপনার পেপাল একাউন্টে আপনার মাস্টার কার্ডের information দিয়ে confirm করুন।
আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন পরিপূর্ণ ভাবে Paypal Verify করা এবং সকল Limit Remove করার জন্য পেপাল এ ৩ টা Option আছে।
** US এর একাউন্ট যেহেতু তৈরি করছি সেহেতু আপনাকে এক ডিভাইস থেকে লগিন করতে হবে**
প্রথমেই আপনি এই সাইট থেকে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে নিন-
Fake Name Generator
এবার আপনি একটি পেপাল একাউন্ট তৈরি করবেন।
sign up for paypal
এবার আপনি আপনার collect করা ইনফরমেশান দিয়ে ফর্ম পূরন করুন।
- Email address: আপনি যেই ইমেইল ব্যবহার করে পেপাল একাউন্ট খুলবেন সেই ইমেইল টাইপ করুন।
- Choose a password: এইখানে আপনার পেপাল একাউন্টের জন্য একটি পাসওয়ার্ড টাইপ করুন।
- Re-enter password: এইখানে পাসওয়ার্ড টি পূনরায় টাইপ করুন।
- First name: এইখানে আপনার মাস্টারকার্ডটির নামের সাথে মিল রেখেন First Name টাইপ করুন।
- Middle name: আপনার নামের যদি কোন Middle পার্ট থাকে তাহলে এইখানে টাইপ করুন। (অথবা খালি রাখুন)।
- Last name: এইখানে আপনার মাস্টারকার্ডটির নামের সাথে মিল রেখেন Last Name টাইপ করুন।
- Date of birth: এইখানে আপনার জন্ম তারিখ টাইপ করুন। (মাস্টারকার্ড একাউন্টের সাথে মিল রেখে দিতে পারেন)
- Nationality: ড্রপ ডাউন মেনু থেকে United States সিলেক্ট করুন।
- Address line 1: http://www.fakenamegenerator.com থেকে সংগ্রহ করা ঠিকানার প্রথম লাইন টাইপ করুন।
- City: নিচের ছবির মত http://www.fakenamegenerator.com থেকে সংগ্রহ করা ঠিকানা ঠিকানা টাইপ করুন।
- State / Province / Region: নিচের ছবির মত http://www.fakenamegenerator.com থেকে সংগ্রহ করা ঠিকানা State / Province / Region টাইপ করুন।
- Postal code: নিচের ছবির মত http://www.fakenamegenerator.com থেকে সংগ্রহ করা Postal code টাইপ করুন।
- Phone number: নিচের ছবির মত http://www.fakenamegenerator.com থেকে সংগ্রহ করা Phone Number টাইপ করুন।
- এখন সর্বশেষ Agree and Create Account বাটনে ক্লিক করুন।
বিঃ দ্রঃ বাংলাদেশ থেকে ২ ভাবে কম খরচে ফ্রী ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড পাওয়া যায়।
- Payoneer এর ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড (পেওনারে সাইন আপ করে আপনি একটি ফ্রী মাস্টার কার্ড পেতে পারেন এবং সাথে একটি ফ্রী আমেরিকার ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট) পেওনারের বার্ষিক চার্জ ২৯ ডলার। রেফারেল লিংক থেকে সাইন আপ করলে প্রথম ১০০ ডলার লোডে ২৫ ডলার ফ্রী পেতে পারেন)
এবার আপনি আপনার পেপাল একাউন্টে আপনার মাস্টার কার্ডের information দিয়ে confirm করুন।
আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন পরিপূর্ণ ভাবে Paypal Verify করা এবং সকল Limit Remove করার জন্য পেপাল এ ৩ টা Option আছে।
- Link a Bank Account
- Confirm your Social Security Number
- Link and confirm your debit or credit card
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
- সকল তথ্য আপনার National ID Card অনুযায়ী পূরণ করবেন।
- প্রথম দিকে বড় Amount লেনদেন করবেন না। পরিমান আস্তে আস্তে বাড়ান।
- আপনার Verifyed হওয়া পেপাল Account চেষ্টা করবেন একটি পিসি থেকে LOGIN করার।
- সব সময় এক ISP ব্যবহার করা ভাল। (যেমনঃ রবি দিয়ে লগিন করলে সবসময় রবি ই ব্যবহার করা ভাল)
- বিনা প্রয়োজনে আপনার পেপাল অ্যাকাউন্ট এ লগিন করবেন না।
- আপনার Mastercard হাতে পাওয়ার পরে কার্ডটি Paypal এর সাথে যোগ করে নিন।
- পেপাল এবং Payoneer এ একই নাম ব্যবহার করবেন। কারন Mastercard পেপাল এ যোগ করার সময় কাজে লাগবে।
- চেস্টা করবেন শুধু USA verifyed paypal e বড় এমাউন্ট লেনদেন করতে।
- মাঝে মাঝে পেওনার এর ব্যাংক এ পেপাল থেকে Withdraw দিবেন।
- বড় Amount লেনদেন এর জন্য অবশ্যই আপনার পেপাল Account টি ফ্রী তে Personal থেকে Premiere এ Upgrade করে নিবেন। (তাহলে Account Limit হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে)।
Grameen Phone Flexi plan ছারা বাড়িয়ে নিন জিপির মেইন এমবির মেয়াদ ৩০ দিন। নতুন টিপস
By : RABBY
বাড়িয়ে নিন
জিপির মেইন এমবির মেয়াদ ৩০ দিন।
নিচের
Stpep
গুলো follow
করেন
★Step-1. প্রথমে নেট ডিএক্টিভ করুনঃ
*5000*0*4*3# অথবা
মেসেজ অপশনে STOP লিখে
5000 সেন্ড করুন অথবা 5000 এ
কল করে নেট ডিএক্টিভ করেন। একটা
মেসেজ আসবে। মেসেজ আসার পর
নিচের
Step-2 follow
করেন।
★Step-2. তারপর ইজিনেট চালু করুন
ফ্রিতেঃ
Easy net এক্টিভ করতে ডায়াল
করুন
*5000*55#
একটা মেসেজ আসবে। মেসেজ আসার
পর
নিচের Step-3 follow
করেন।
★Step-3. ডায়াল করে এর পর
Social পেক চালু করেন এক দিনেরটা
আজ
করুন
*5000*8*1*1*2#।
একটা মেসেজ আসবে।
এরপর *৫৬৬*১০# ডায়াল করে দেখেন এক
মাস
বেড়ে গেছে মেয়াদ। Flexi plan লাগছে
জিপির মেইন এমবির মেয়াদ ৩০ দিন।
নিচের
Stpep
গুলো follow
করেন
★Step-1. প্রথমে নেট ডিএক্টিভ করুনঃ
*5000*0*4*3# অথবা
মেসেজ অপশনে STOP লিখে
5000 সেন্ড করুন অথবা 5000 এ
কল করে নেট ডিএক্টিভ করেন। একটা
মেসেজ আসবে। মেসেজ আসার পর
নিচের
Step-2 follow
করেন।
★Step-2. তারপর ইজিনেট চালু করুন
ফ্রিতেঃ
Easy net এক্টিভ করতে ডায়াল
করুন
*5000*55#
একটা মেসেজ আসবে। মেসেজ আসার
পর
নিচের Step-3 follow
করেন।
★Step-3. ডায়াল করে এর পর
Social পেক চালু করেন এক দিনেরটা
আজ
করুন
*5000*8*1*1*2#।
একটা মেসেজ আসবে।
এরপর *৫৬৬*১০# ডায়াল করে দেখেন এক
মাস
বেড়ে গেছে মেয়াদ। Flexi plan লাগছে
কিভাবে এক রাউটারের ইন্টারনেট আরেক রাউটার এ চালাবেন জেনে নিন (Mega Post)
By : RABBY
আজকে এতে দেখাব TP-Link থেকে Tenda রাউটার এ নেট কিভাবে চালাবেন। অনেকে হয়ত জানেন, যারা জানেন না তাদের জন্য এই টিউনটি।
তবে আগেই বলে রাখি যারা আগে থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করে আসছেন তাদের জন্য এই টিউনটি।
যা যা লাগবে ঃ ২ টি রাউটার, একটি ব্রডব্যান্ড কানেকশন, LAN কেব্ল যা রাউটার এর সাথে দেওয়া থাকে এর একটি কম্পিউটার যা সেটিং করতে লাগবে। তো আসুন কাজে লেগে পরি।
ধারাবাহিকতাঃ TP-Link হল আমাদের মুল রাউটার যেটা ব্রডব্যান্ড কানেকশন এ সংযুক্ত আছে। এই রাউটার থেকে আমরা Tenda রাউটার এ নেট নিয়ে যাব।
জেনে নিন - Tp-link এ লগিন করতে আমাদের জেতে হয় 192.168.0.1 । আমরা প্রথমে Tenda রাউটার টি সেটিং করব।
ধাপ ১। প্রথমে Tenda রাউটারটি পাওয়ার দিয়ে কম্পিউটার এর সাথে সংযুক্ত করব। ইন্টারনেট পোর্ট (ছবিতে) এ কোন সংযোগ দিব না।

ধাপ ২। এবার কম্পিউটার এর ব্রাউজার এ গিয়ে লিখুন 192.168.0.1 ও এন্টার দিন। পাসওয়ার্ড চাইলে admin দিন।
ধাপ ৩। এবার advance Settings এ ক্লিক করুন। (ছবিতে)

ধাপ ৪। এবার Lan Setting এ ক্লিক করুন। (ছবিতে)

ধাপ ৫। এবার আমরা এর লগিন আইপি পরিবর্তন করব। এজন্য যেখানে IP ADDRESS লিখা আছে ওইখানে দেওয়া আছে 192.168.0.1 এটা পরিবর্তন করে আমরা করব 192.168.1.1 বা 192.168.2.1 বা 192.168.3.1 যা খুশি শুধু 192.168.0.1 দিবেন না। কারন tp-link এ এই আইপি দেওয়া আছে। এবার ok চাপুন। দেখবেন রাউটারটি রিবোট/রিস্টার্ট নিবে।
ধাপ ৬। রিস্টার্ট হলে এবার access Method থেকে DHCP সিলেক্ট করে ok দিন। ব্যাস কাজ শেষ। (ছবিতে)

ধাপ ৭। এবার আপনার tp-link এর যে কোন LAN পোর্ট এর সাথে Tenda রাউটার এর WLAN পোর্ট এ কানেকশন দিন। এবং Tenda রাউটার এর Lan পোর্ট থেকে পিসি এর LAN পোর্ট এ একটি সংযোগ নিন। দেখবেন tenda রাউটার এ Connected দেখাচ্ছে।

এবার আপনি আপনার নতুন tenda রাউটার এর যাবতীয় সেটিং করে ১০০ মিটার এর মাঝে সেট করুন। তবে মনে রাখবেন তার জেন ১০০ মিটার এর বেশি না হয়। ১০০ মিটার এর বেশি হলে লাইন ড্রপ খেতে পারে।
আপনাদের কাজের সুবিধার্থে আমি একটি ভিডিও বানিয়েছি, দেখে নিতে পারেন কাজের সুবিধা হতে পারে।
তবে আগেই বলে রাখি যারা আগে থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করে আসছেন তাদের জন্য এই টিউনটি।
যা যা লাগবে ঃ ২ টি রাউটার, একটি ব্রডব্যান্ড কানেকশন, LAN কেব্ল যা রাউটার এর সাথে দেওয়া থাকে এর একটি কম্পিউটার যা সেটিং করতে লাগবে। তো আসুন কাজে লেগে পরি।
জেনে নিন - Tp-link এ লগিন করতে আমাদের জেতে হয় 192.168.0.1 । আমরা প্রথমে Tenda রাউটার টি সেটিং করব।
ধাপ ১। প্রথমে Tenda রাউটারটি পাওয়ার দিয়ে কম্পিউটার এর সাথে সংযুক্ত করব। ইন্টারনেট পোর্ট (ছবিতে) এ কোন সংযোগ দিব না।
ধাপ ২। এবার কম্পিউটার এর ব্রাউজার এ গিয়ে লিখুন 192.168.0.1 ও এন্টার দিন। পাসওয়ার্ড চাইলে admin দিন।
ধাপ ৩। এবার advance Settings এ ক্লিক করুন। (ছবিতে)
ধাপ ৪। এবার Lan Setting এ ক্লিক করুন। (ছবিতে)
ধাপ ৫। এবার আমরা এর লগিন আইপি পরিবর্তন করব। এজন্য যেখানে IP ADDRESS লিখা আছে ওইখানে দেওয়া আছে 192.168.0.1 এটা পরিবর্তন করে আমরা করব 192.168.1.1 বা 192.168.2.1 বা 192.168.3.1 যা খুশি শুধু 192.168.0.1 দিবেন না। কারন tp-link এ এই আইপি দেওয়া আছে। এবার ok চাপুন। দেখবেন রাউটারটি রিবোট/রিস্টার্ট নিবে।
ধাপ ৬। রিস্টার্ট হলে এবার access Method থেকে DHCP সিলেক্ট করে ok দিন। ব্যাস কাজ শেষ। (ছবিতে)
ধাপ ৭। এবার আপনার tp-link এর যে কোন LAN পোর্ট এর সাথে Tenda রাউটার এর WLAN পোর্ট এ কানেকশন দিন। এবং Tenda রাউটার এর Lan পোর্ট থেকে পিসি এর LAN পোর্ট এ একটি সংযোগ নিন। দেখবেন tenda রাউটার এ Connected দেখাচ্ছে।
এবার আপনি আপনার নতুন tenda রাউটার এর যাবতীয় সেটিং করে ১০০ মিটার এর মাঝে সেট করুন। তবে মনে রাখবেন তার জেন ১০০ মিটার এর বেশি না হয়। ১০০ মিটার এর বেশি হলে লাইন ড্রপ খেতে পারে।
আপনাদের কাজের সুবিধার্থে আমি একটি ভিডিও বানিয়েছি, দেখে নিতে পারেন কাজের সুবিধা হতে পারে।
YOUTUBE LINK
How to find your Chinese Tablet firmware or Flash file using board ID?
By : RABBY
The process of identifying your tablets firmware begins with knowing your Tablets Processor and board ID, believe it or not most of these entry-level Chinese tablets are usually sporting similar boards and processors for the most part, the names of the devices might change e.g. Alldaymall, Irulu, GPad or so on but beneath they are sporting similar hardware and all you have to do is find a firmware that matches the board ID and the processor or ones thats close and you can flash your tablet and have it functioning as new. The two main type of processors that you will find on your tablet are usually the A13 and A10 processors respectively.
To find out both you will need to open your Tablet, do not panic it’s not as bad as it sounds trust me, here are the steps:
1. Tablets do not have screws that seal them in most cases so you will have to find the seems that hold both halves together.
2. Once you have found the seems, use a tool set such as the ones used in opening phones or a blunt object and force it into the seems,its best to start around the charge port in most cases, the parts will separate with little trouble as long as you are firm-do not break the clips that hold both halves together but separate the halves until the entire thing comes apart.You can refer to the video for details instructions.
3. Once both halves separate, carefully move them apart and watch out for wires such as the one that runs from the speakers.
4. Look on the main part of the board and you should see a processor look out for A13 or A10 marked on them clearly:
5. Last look on the board for a number its usually at the top section and it’s clearly written, this will be your Board ID, record it:
That’s it you have just found your Motherboard ID and Processor, in this case the board in the tablets ID was: CB-M RU 94V-0
The processor was: A13
So now I need to search in Google for “A13 CB-M RU 94V-0 Firmware” or you can check below I have included a detailed list of the most sorted after firmwares including the one for the tablet used in this tutorial.
The process of identifying your tablets firmware begins with knowing your Tablets Processor and board ID, believe it or not most of these entry-level Chinese tablets are usually sporting similar boards and processors for the most part, the names of the devices might change e.g. Alldaymall, Irulu, GPad or so on but beneath they are sporting similar hardware and all you have to do is find a firmware that matches the board ID and the processor or ones thats close and you can flash your tablet and have it functioning as new. The two main type of processors that you will find on your tablet are usually the A13 and A10 processors respectively.
To find out both you will need to open your Tablet, do not panic it’s not as bad as it sounds trust me, here are the steps:
1. Tablets do not have screws that seal them in most cases so you will have to find the seems that hold both halves together.
2. Once you have found the seems, use a tool set such as the ones used in opening phones or a blunt object and force it into the seems,its best to start around the charge port in most cases, the parts will separate with little trouble as long as you are firm-do not break the clips that hold both halves together but separate the halves until the entire thing comes apart.You can refer to the video for details instructions.
3. Once both halves separate, carefully move them apart and watch out for wires such as the one that runs from the speakers.
4. Look on the main part of the board and you should see a processor look out for A13 or A10 marked on them clearly:
5. Last look on the board for a number its usually at the top section and it’s clearly written, this will be your Board ID, record it:
That’s it you have just found your Motherboard ID and Processor, in this case the board in the tablets ID was: CB-M RU 94V-0
The processor was: A13
So now I need to search in Google for “A13 CB-M RU 94V-0 Firmware” or you can check below I have included a detailed list of the most sorted after firmwares including the one for the tablet used in this tutorial.
Watch the Video to see how its done:
Let me Help You Find your Tablet Firmware
In order for me to help you please comment and tell me the following and I will Add your Firmware to this article and also give you a direct link to downloading it so you can flash your Tablet, I will need the:
Tablet Processor: __________________
Board ID: _______________
Brand Name: _____________
In order for me to help you please comment and tell me the following and I will Add your Firmware to this article and also give you a direct link to downloading it so you can flash your Tablet, I will need the:
Tablet Processor: __________________
Board ID: _______________
Brand Name: _____________
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ এ কি কি Disable করেবেন আর কেনই বা Disable করবেন।
By : RABBYতাহলে চলুন Disable করে ফেলি তাড়াতাড়ি।।।।।।
যদি না জেনে থাকেন তাহলে জেনে নিন কি কি Disable করবেন আর কেন Disable করবেন ? জানতে এখানে ক্লিক করুন।1. Disable ওয়াই ফাই সেন্স
প্রথমে যাব Settings, সেখান থেকে Network & Internet সিলেক্ট করলে পাবো Wi-Fi,
আর তারপর Wi-Fi পেজটির ডানদিকে Manage Wi-Fi settings
সেখানে যা যা অন থাকবে তা Disable করেদিন।
ব্যাস হয়ে গেল ওয়াই ফাই সেন্স Disable
যে ভাবে করলাম দেখালাম নিচের ছবি গুলাতে
2. Disable ব্যান্ডউইথ শেয়ারিং ফর আপডেটস
এবারো যাব Settings এ সেখান থেকে Update & Security সিলেক্ট করলে পাবো Windows Update,
আর তারপর Windows Update পেজটির ডানদিকে Advanced options, সেখানে সিলেক্ট করলে পাব Choose how updates are delivered
সেখানে সিলেক্ট করলে পাব Updates from more than one place সেখানে যা অন থাকবে তা Disable করেদিন।
ব্যাস হয়ে গেল, ব্যান্ডউইথ শেয়ারিং ফর আপডেটস Disable
যে ভাবে করলাম দেখালাম নিচের ছবি গুলাতে
3. Disable অটোমেটিক্যালি এপলাই আপডেট
এবারো যাব Settings এ সেখান থেকে Update & Security সিলেক্ট করলে পাবো Windows Update,
আর তারপর Windows Update পেজটির ডানদিকে Advanced options,
খালি পরবর্তন করব " Automatic Recommended" থেকে "Notify to schedule restart." তে
ব্যাস হয়ে গেল, Automatically-Applied Updates Disable
যে ভাবে করলাম দেখালাম নিচের ছবি গুলাতে
4. Disable গেটিং টু নো ইউ
আবারো এবারো যাব Settings এ সেখান থেকে "Privacy" সিলেক্ট করলে পাবো "Speech, inking & typing",
আর তারপর "Speech, inking & typing" পেজটির ডানদিকে "Stop getting to know me" সিলেক্ট করব, off করব।
ব্যাস হয়ে গেল, গেটিং টু নো ইউ Disable
যে ভাবে করলাম দেখালাম নিচের ছবি গুলাতে
5. Disable টার্গেটেড অ্যাড
এবারো আবার যাব Settings এ সেখান থেকে "Privacy" সিলেক্ট করলে পাবো "General"
"General" পেজটির ডানদিকে "Let apps use my advertising ID for experiences across apps." সুইচ অফ ফানসান
ব্যাস হয়ে গেল টার্গেটেড অ্যাড Disable
যে ভাবে করলাম দেখালাম নিচের ছবি গুলাতে
6. Disable অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্সেস টু ইওর লোকেসন, মাইক্রোফোন, এবং ক্যামেরা
এবারো আবার যাব Settings এ সেখান থেকে "Privacy" সিলেক্ট করলে পাবো "Location"
পেজটির ডানদিকে " Choose apps the can use your location" বন্ধ করুন সকল অপসন গুলি।
একই ভাবে "Privacy" পেজটির Camera & Microphone এর সকল অপসন গুলি বন্ধ করুন।
ব্যাস হয়ে গেল অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্সেস টু ইওর লোকেসন, মাইক্রোফোন, এবং ক্যামেরা Disable
যে ভাবে করলাম দেখালাম নিচের ছবি গুলাতে
7. Disable Background Apps
আবার যাব Settings এ সেখান থেকে "Privacy" সিলেক্ট করলে পাবো "Background apps" শেষ অপসনটি
"Background apps" পেজটির ডানদিকে "let apps run in background" বন্ধ করুন সকল অপসন গুলি বা যেটা দরকার নয় সেটা।
ব্যাস হয়ে গেল Background Apps Disable
যে ভাবে করলাম দেখালাম নিচের ছবি গুলাতে
এই টিউন টি করতে আমাকে কেউ রিকোয়েস্ট করেনি তবু আমার মনে হলো, যে প্রতেকের একটা ব্যক্তিগত বলে জিনিস থাকে আর সেটা কেউই কারোর কাছে প্রকাশ করতে চাইবেনা, সে মানুষ হোক বা মাইক্রোসফট এর মতো একটি কোম্পানি হোক না কেন। এটা জানানো আমার কর্তব্য বলে মনে হল তাই এই টিউনটি করলাম। অবশ্যই সবাই টিউমেন্ট করবেন ভালো না লাগলেও। ব্যক্তিগত মতামত দিবেন [সেটাতো আপনার ব্যক্তিগত ব্যপার দিতেই পারেন] ভালো লাগবে আর আমার এই টিউন যদি কারোর খারাপ লেগে থাকে তবে আমি একান্তই দুঃখিত। আমার কাউকে দুখিত করার কোনো প্রকার উদ্দেশা নেই।
যা যা ডিসেবল করা দরকার উইন্ডোজ ১০ এ কারণ সহ
By : RABBY
আজ প্রথম পর্বে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ এ কি কি Disable করেবেন আর কেনই বা Disable করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
যা যা Disable করা দরকার উইন্ডোজ ১০ সেই গুলি হলো নিম্নলিখিত,
1. Wi-Fi Sense
যা যা Disable করা দরকার উইন্ডোজ ১০ সেই গুলি হলো নিম্নলিখিত,
1. Wi-Fi Sense
2. Bandwidth Sharing for Updates
3. Automatically-Applied Updates
4. Getting to Know You Features
5. Targeted Ads
6. App-Access to Your Location, Microphone, & Webcam
7. Unwanted Background Apps
1. Wi-Fi Sense
প্রথম সন্দেহজনক উইন্ডোজ 10 বৈশিষ্ট্য "ওয়াই ফাই সেন্স "
মাইক্রোসফট ডিফল্টরূপে এই বৈশিষ্ট্য সক্রিয় করেছে ; সংক্ষেপ, আপনার নেটওয়ার্ক পাসওয়ার্ড এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার সামাজিক মিডিয়া বন্ধুদের সাথে ভাগ করা যেতে পারে, ভাগ করার সময় পাসওয়ার্ড নিরাপদভাবে মাইক্রোসফট এর সার্ভারে সংরক্ষণ করা হয়, আমি বা আপনারা কখন চাইবেন না যে আপনার পাসওয়ার্ড মাইক্রোসফট এর সার্ভারে সংরক্ষণ করা হোক, সে যে কারণেই হোক না কেন . তাই Disable Wi-Fi Sense .
2. Bandwidth Sharing for Updates
দ্বিতীয় উইন্ডোজ 10 বৈশিষ্ট্য " ব্যান্ডউইথ শেয়ারিং ফর আপডেটস "
উইন্ডোজ এখন আপডেট ডাউনলোড করার জন্য পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, Torrent প্রোগ্রাম অনুরূপ, আর তাই উইন্ডোজ আপডেট ফাইল ডাউনলোড করার সময়, আপনি অন্য ব্যবহারকারীদের এটি অংশ আপলোড করে দিবেন,ফলে আপনার অপ্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ ব্যবহার ব্যয়বহুল হতে পারে,মানে আপনার ৩ জিবি ডেটা শেষ কিন্তু আপডেট ডাউনলোড মাত্র ১ জিবি কারণ আপনি তো আপলোড করে দিছেন ২ জিবি।
তাই Disable Bandwidth Sharing for Updates
3. Automatically Applied Updates
তৃতীয় উইন্ডোজ 10 বৈশিষ্ট্য " অটোমেটিক্যালি এপলাই আপডেট "
আপনি যদি অটোমেটিক আপডেট বন্ধ না করে থাকেন তো, এই অপসন টা আপনার জন্য। [অটোমেটিক আপডেট বন্ধ করার জন্য এখানে ক্লিক করুন ]
কারণ অটোমেটিক আপডেট চালু থাকলে আপনি জানতেও পারবেন না যে কখন আপডেট ডাউনলোড কমপ্লিট হলো ফলে, আপডেট ইনস্টল হলে আপনার পিসি রিস্টার্ট হবে আর আপনার আনসেভ ডেটা হারানোর ঝুঁকি থাকবে। তাই Disable Automatically Applied Updates
কারণ অটোমেটিক আপডেট চালু থাকলে আপনি জানতেও পারবেন না যে কখন আপডেট ডাউনলোড কমপ্লিট হলো ফলে, আপডেট ইনস্টল হলে আপনার পিসি রিস্টার্ট হবে আর আপনার আনসেভ ডেটা হারানোর ঝুঁকি থাকবে। তাই Disable Automatically Applied Updates
4. Getting to Know You
চতুর্থ জটিল উইন্ডোজ 10 বৈশিষ্ট্য " গেটিং টু নো ইউ "
আপনার টাইপ হিস্ট্রি লগ, আপনার ভয়েস রেকর্ডিং সেভ, আপনার কন্টাক্ট ক্যালেন্ডার থেকে তথ্য সংগ্রহ করা, এবং এমনকি আপনার হস্তাক্ষর, সব কিছুই, Cortana সঙ্গে আরও ব্যক্তিগত ও ভালো অভিজ্ঞতা দেবার নামে মাইক্রোসফট এর সার্ভারে সংরক্ষণ করা হয়, আমি বা আপনারা কখন চাইবেন না যে আপনার সকল তথ্য মাইক্রোসফট এর সার্ভারে সংরক্ষণ করা হোক, সে যে কারণেই হোক না কেন . তাই Disable Getting to Know You
5. Targeted Ads
পঞ্চম উইন্ডোজ 10 বৈশিষ্ট্য "টার্গেটেড অ্যাড "
মাইক্রোসফট আপনাকে সাহায্য করার জন্য একটি অনন্য বিজ্ঞাপন আইডি তৈরী করেছে আপনার জন্য, যার সাহায্যে আপনি খুব সহজে টার্গেটেড বিজ্ঞাপন পায়ে যাবেন, এমনকি আপনার পছন্দের বিসয় না হলেও । এই আইডি স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা যাবে না, কিন্তু অন্ততপক্ষে, আপনি এই তথ্য অ্যাক্সেস করা থেকে থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন কে প্রতিরোধ করতে পারি । তাই Disable Targeted Ads
6. App Access to Your Location, Microphone, & Webcam
ষষ্ঠ সন্দেহজনক উইন্ডোজ 10 বৈশিষ্ট্য " অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্সেস টু ইওর লোকেসন, মাইক্রোফোন, এবং ওয়েবক্যাম "
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ 10 থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন আপনার মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম, এবং অবস্থান অ্যাক্সেস করতে পারে, আমি বা আপনারা কখন চাইবেন না যে আপনার লোকেসন, মাইক্রোফোন, এবং ওয়েবক্যাম থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করুক, তাই Disable " App Access to Your Location, Microphone, & Webcam "
7. Unwanted Background Apps
এই সর্বশেষ অপশনটি একটু কম গোপনীয়তা-ভিত্তিক, কিন্তু এটা ব্যাটারি জীবন এবং কার্যকারিতার উপর একটি বড় প্রভাব তৈরি করতে পারে,
অনেক "ইউনিভার্সাল " উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশন আপনার কম্পিউটার চালু হলে পাশাপাশি শুরু হয়, এবং তা আপনার ল্যাপটপ এর ব্যাটারি উপর বড় প্রভাব ফেলে, এবং তা আপনার কম্পিউটার এর রেম উপর প্রভাব ফেলে তাই Disable "Unwanted Background Apps"
কি করে বন্ধ করবেন উইণ্ডোস ১০ অটো আপডেট মাত্র ছয় ধাপে
By : RABBY
উইণ্ডোস ১০ যারা ব্যবহার করেছেন বা করবেন তারা হয়ত জানেন যে windows 10 এ অটোমেটিক আপডেট Disable করা যায় না।
তাই আপনি জানতেও পারবেন না যে আপনার লিমিটেড নেট কখন শেষ হয়ে যাবে, এই WINDOWS আপডেটর জন্য
তাই DISABLE করে দেখালাম কি করে Disable করবেন অটো আপডেট.
Windows 10 এর সকল version ENTERPRISE, PRO, HOME,EDUCATION কার্যকারী.
কি করে বন্ধ করবেন উইণ্ডোস অটো আপডেট ইন জাস্ট ছয় স্টেপ
স্টেপ ১
টাইপ করুন সার্চ বার-এ View Local Services নিচের ছবির মতো press ENTER

স্টেপ ২
নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে, যার একদম নিচের দিকে পাবেন windows Update, নিচ থেকে ১১ নম্বর। সিলেক্ট করুন
PRESS Enter

স্টেপ ৩
Service Status Running === Press STOP
PRESS Enter

Windows Update এই ভাবে বন্ধ হবে..

স্টেপ ৪
তীর মার্কা জায়গা তে গিয়া ডিসএবল করুন Startup Type
Automatic to Disable
Apply And OK

স্টেপ ৫
এবার চেক করব Windows আপডেট অপসন..
টাইপ করুন সার্চ বার-এ Check For Update নিচের ছবির মতো press ENTER

স্টেপ ৬
Check Update সিলেক্ট করুন লেখা আসবে Checking For Updates....
নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে

তারপর কি হবে নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে
আর লেখা থাকবে There were some problems installing update মানে আপডেট বন্ধ,

আর একটি কথা Windows Update আবার শুরু করতে হলে যা যা করেছেন তা চেঞ্জ করবেন আগের মতো তাহলে আপডেট আবার চালু হয়ে যাবে.
কি এবার শান্তি তো বন্ধ করে দিলাম অটো আপডেট। All VERSION ENTERPRISE, PRO, HOME,EDUCATION সবেতে কার্যকারী.
সতর্কবাণী
View Local Services এ windows update সিলেক্ট করবেন ঠিক করে না হলে উইন্ডোস আপডেটর জায়গাতে অন্য কোনো সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাবে।
তাই আপনি জানতেও পারবেন না যে আপনার লিমিটেড নেট কখন শেষ হয়ে যাবে, এই WINDOWS আপডেটর জন্য
তাই DISABLE করে দেখালাম কি করে Disable করবেন অটো আপডেট.
Windows 10 এর সকল version ENTERPRISE, PRO, HOME,EDUCATION কার্যকারী.
কি করে বন্ধ করবেন উইণ্ডোস অটো আপডেট ইন জাস্ট ছয় স্টেপ
স্টেপ ১
টাইপ করুন সার্চ বার-এ View Local Services নিচের ছবির মতো press ENTER
স্টেপ ২
নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে, যার একদম নিচের দিকে পাবেন windows Update, নিচ থেকে ১১ নম্বর। সিলেক্ট করুন
PRESS Enter
স্টেপ ৩
Service Status Running === Press STOP
PRESS Enter
Windows Update এই ভাবে বন্ধ হবে..
স্টেপ ৪
তীর মার্কা জায়গা তে গিয়া ডিসএবল করুন Startup Type
Automatic to Disable
Apply And OK
স্টেপ ৫
এবার চেক করব Windows আপডেট অপসন..
টাইপ করুন সার্চ বার-এ Check For Update নিচের ছবির মতো press ENTER
স্টেপ ৬
Check Update সিলেক্ট করুন লেখা আসবে Checking For Updates....
নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে
তারপর কি হবে নিচের ছবির মতো একটি পেজ খুলবে
আর লেখা থাকবে There were some problems installing update মানে আপডেট বন্ধ,
আর একটি কথা Windows Update আবার শুরু করতে হলে যা যা করেছেন তা চেঞ্জ করবেন আগের মতো তাহলে আপডেট আবার চালু হয়ে যাবে.
কি এবার শান্তি তো বন্ধ করে দিলাম অটো আপডেট। All VERSION ENTERPRISE, PRO, HOME,EDUCATION সবেতে কার্যকারী.
সতর্কবাণী
View Local Services এ windows update সিলেক্ট করবেন ঠিক করে না হলে উইন্ডোস আপডেটর জায়গাতে অন্য কোনো সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাবে।
ফেসবুককে সম্পর্কে আজানা সব কিছু জানুন !
By : RABBY————————–— بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ————————–—
সবাইকে আন্তরিক সালাম শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের টিউনটি। আজকের টিউনটির বিষয় বস্তু হচ্ছে : ফেসবুককে সম্পর্কে আজানা সব কিছু জানুন !
ফেইসবুক বা ফেসবুক (ফেবু হিসাবে সংক্ষিপ্ত) বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিতে নিখরচায় সদস্য হওয়া যায়। এর মালিক হলো ফেসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগণ বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন, সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যকার উত্তম জানাশোনাকে উপলক্ষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে।
মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সারাবিশ্বে বর্তমানে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছেন ৩০০ মিলিয়ন কার্যকরী সদস্য।
ফেসবুক তার চলার পথে বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হয়েছে।বাংলাদেশ, সিরিয়া, চায়না এবং ইরান সহ বেশ কয়েকটি দেশে এটা আংশিকভাবে কার্যকর আছে। এটার ব্যবহার সময় অপচয় ব্যাখ্যা দিয়ে কর্মচারীদের নিরুৎসাহিত করে তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফেসবুক ওয়েবসাইট কে আইন জটিলতায় পড়তে হয়েছে বেশ কয়েকবার জুকেরবার্গের সহপাঠী কর্তৃক, তারা অভিযোগ এনেছেন যে ফেসবুক তাদের সোর্স কোড এবং অন্যান্য বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে।
ফেব্রুয়ারি ২০১৫ সালের হিসাব অনুযায়ী ফেসবুকের মূলধন ২১২ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে উঠেছে।
ইতিহাস
মার্ক জাকারবার্গ, হার্ভার্ড এ তার ২য় বর্ষ চলাকালীন সময়ে, অক্টোবর ২৮, ২০০৩ এ তৈরি করেন ফেসবুকের পূর্বসূরি সাইট ফেসম্যাস। এতে তিনি হার্ভার্ডের ৯ টি হাউস এর শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যবহার করেন। তিনি দুইটি করে ছবি পাশাপাশি দেখান এবং হার্ভার্ডের সব শিক্ষারথিদের ভোট দিতে বলেন। কোন ছবিটি হট আর কোনটি হট নয়। 'হট অর নট'। এজন্য মার্ক জুকারবার্গ হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্য কেন্দ্রে অনুপ্রবেশ বা হ্যাঁক করেন। ফেসম্যাস সাইট এ মাত্র ৪ ঘণ্টায় ৪৫০ ভিজিটর ২২০০০ ছবিতে অন লাইন এর মাধ্যমে ভোট দেন।- ২০০৪: ফেসম্যাস হতে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০০৪ এর জানুয়ারিতে মার্ক তার নতুন সাইট এর কোড লেখা শুরু করেন এবং ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতে দিফেসবুক.কম এর উদ্বোধন করেন। শিঘ্রই মার্ক জাকারবার্গ এর সাথে যোগ দেন ডাস্টিন মস্কোভিৎজ (প্রোগ্রামার), ক্রিস হুগেস ও এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন (ব্যবসায়িক মুখপাত্রও) এবং অ্যান্ডরু ম্যাককলাম (গ্রাফিক্ আর্টিস্ট)। জুনে প্যালো আল্টোতে অফিস নেওয়া হয়। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখে পৌঁছায়।
- ২০০৫: আগস্টে ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’ নাম পাল্টে কোম্পানির নাম রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৫ লাখ।
- ২০০৬: কৌশলগত কারণে আগস্টে ফেসবুকের সঙ্গে মাইক্রোসফট সম্পর্ক স্থাপন করে। সেপ্টেম্বর থেকে সর্বসাধারণের জন্য ফেসবুক উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আগে শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই ছিলেন এর ব্যবহারকারী। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক কোটি ২০ লাখে।
- ২০০৭: ফেব্রুয়ারিতে ভার্চুয়াল গিফট শপ চালু হয়। এপ্রিলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছায় দুই কোটি।
- ২০০৮: কানাডা ও ব্রিটেনের পর ফেব্রুয়ারিতে ফ্রান্স ও স্পেনে ফেসবুকের ব্যবহার শুরু হয়। এপ্রিলে ফেসবুক চ্যাট চালু হয়। আগস্টে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটিতে।
- ২০০৯: জানুয়ারিতে ব্যবহারকারী ১৫ কোটি। ডিসেম্বরে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫ কোটিতে।
- ২০১০: ফেব্রুয়ারিতে যে সংখ্যা ছিল ৪০ কোটি, জুলাইয়ে সেই সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। আর ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ৫৫ কোটি।
ব্যবস্থাপনা
মার্ক জাকারবার্গ ২৮% শেয়ার :
মার্ক জাকারবার্গ, মার্ক জুকারবার্গ বা মার্ক যুকারবার্গ (ইংরেজি: Mark Elliot Zuckerberg; জন্ম: ১৪ মে, ১৯৮৪) একজন আমেরিকান কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও সফটওয়্যার ডেভেলপার। তার পুরো নাম মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ। যার আসল পরিচিতি হল জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট ফেইসবুক প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে। তিনি বর্তমানে ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্ট। জাকারবার্গ এবং তার কয়েকজন সহপাঠী মিলে ২০০৪ সালে এটিকে একটি ব্যক্তি মালিকানা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন যখন তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই জাকারবার্গ টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বছরের সেরা ব্যক্তিত্বরূপে নির্বাচিত হয়েছেন।প্রারম্ভিক জীবন
১৯৮৪ সালে নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন এলাকাতে মনোচিকিৎসক ক্যারেন ও দন্তচিকিত্সক এডওয়ার্ড জাকারবার্গের ঘরে জন্ম নেন মার্ক জাকারবার্গ। জাকারবার্গের তিন বোন রয়েছে, র্যান্ডি, ডোনা এবং এরিএল। জাকারবার্গ একজন ইহুদী হিসেবে বেড়ে উঠেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি নিজেকে একজন নাস্তিক হিসেবেই বর্ণনা করেন।আর্ডসেলি হাই স্কুলে জাকারবার্গ গ্রীক এবং ল্যাটিন ভাষায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন। তিনি ফিলিপস এক্সটার একাডেমীতে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি বিজ্ঞান এবং ক্লাসিক্যাল শিক্ষায় পুরস্কৃত হন। তিনি অসিক্রীড়া তারকা ছিলেন এবং অসিক্রীড়া দলের অধিনায়ক ছিলেন।[১১][১২][১৩][১৪] কলেজে তিনি মহাকাব্যিক কবিতার লাইন থেকে আবৃত্তি করার জন্য পরিচিত ছিলেন।
সম্মাননা
২০১০ সালে ফেসবুকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মার্ক জাকারবার্গ বিশ্বের সর্বাধিক পঠিত সাপ্তাহিকটাইম ম্যাগাজিন কর্তৃক তাদের প্রচ্ছদে ঠাঁই করে নেন৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টাইম ম্যাগাজিন ঐ বছর তাকে পারসন অব দ্য ইয়ার হিসেবে মনোনীত করেছিল।- এক্সেল পার্টনার্স: ১০% শেয়ার,
- মেইল.আরইউ: ১০ শেয়ার %,
- ডাস্টিন মস্কোভিটজ: ৬ শেয়ার %,
- এডুয়ার্ডো স্যাভেরিন: ৫ শেয়ার %,
- শণ পার্কার: ৪ শেয়ার %,
- পিটার থিয়েল: ৩ শেয়ার %,
- গ্রেলক পার্টনার্স: ১ থেকে ২% প্রত্যেকে শেয়ার
- মেরিটেক ক্যাপিটাল পার্টনার্স: ১ থেকে ২% প্রত্যেকে শেয়ার
- মাইক্রোসফট: ১.৩%, শেয়ার
- লি কা-শিং: ০.৮%, শেয়ার
- ইন্টারপাবলিক গ্রুপ: ০.৫ এর কম, শেয়ার
- বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মচারি এবং বিভিন্ন তারকা (নাম অপ্রকাশিত): প্রত্যেকে ১% এর কম
- বাকি ৩০% বিভিন্ন কর্মচারি ও অপ্রকাশিত তারকাদের মালিকানাধীনে রয়েছে।
প্রধান পরিচালনার কর্মিবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন ক্রিস কক্স (ভাইস প্রেসিডেন্ট), শেরিল স্যান্ডবার্গ (প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা), মার্ক জাকারবার্গ (চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা)। ২০১১ সালের এপ্রিল অনুযায়ী, ফেসবুকের প্রায় ২,০০০ জন কর্মচারি রয়েছে এবং তাদের দপ্তর রয়েছে ১৫টি দেশে।
আয়
টেমপ্লেট:ফেসবুক আয় ফেসবুকের বেশিরভাগ আয় হয় বিজ্ঞাপন থেকে। ফেসবুকে সাধারণত অন্যান্য প্রধান ওয়েবসাইট থেকে কম ক্লিকথ্রু হার (সিটিআর) রয়েছে। বিজনেসউইক.কমের মতে ফেসবুকের ব্যানার বিজ্ঞাপনে পাঁচ ভাগের একভাগ ক্লিক পড়ে অন্য ওয়েবের তুলনায়, যদিও সত্যিকার বিশেষ তুলনায় এটা অসম হতে পারে। উদাহরণসরূপ, যেখানে গুগল ব্যবহারকারী খোঁজার ফলাফলের প্রথম বিজ্ঞাপনের লিংকগুলোতে ক্লিক করে গড় হিসেবে ৮% (৮০০০০ ক্লিক প্রতি এক মিলিয়ন সার্চে) সেখানে ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে গড়ে ০.০৪% (৪০০ ক্লিক প্রতি এক মিলিয়ন পাতায়সারাহ স্মিথ, যিনি ফেসবুকের অনলাইন বিক্রয় কার্যের ব্যবস্থাপক ছিলেন ২০১২ পর্যন্ত, প্রতিবেদন করেছিলেন যে সাইটে বিজ্ঞাপন সফলতার হার ছিল ০.০৫% থেকে ০.০৪% এবং বিজ্ঞাপন সিটিআর দুই সপ্তাহের মধ্যেই কমে যাওয়ার প্রবণতা ছিল।
ফেসবুকের কম সিটিআর হওয়ার কারন হল তরুণ ব্যবহারকারিদের বিজ্ঞাপন বন্ধের সফটওয়্যার এবং বিজ্ঞাপন এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা সেই সাথে যোগ করা যায় সাইটটির প্রাথমিক উদ্দেশ্য যা ছিল শুধুমাত্র একটি সামাজিক যোগাযোগের সাইট থাকা শুধুমাত্র বিষয়বস্তু দেখার বদলে। ডিজিটাল পরামর্শ দাতা আইস্ট্রেটেজি ল্যাবের মতে ২০১৪ সালের জানুয়ারির মধ্যভাগে ১৩ থেকে ১৭ বছরের তরুণরা ফেসবুকের সামাজিক বিজ্ঞাপনের কর্মসূচিতে ছিল যাদের সংখ্যা ছিল মাত্র তিন মিলিয়ন ২০১১ তুলনায়।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ফ্রাঙ্ক এন. মজিদ এবং সহযোগিদের প্রতিবেদনে বলা হয় ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়স্ক ব্যবহারকারির সংখ্যা ৮৮% নেমে এসেছে যা ২০১৩ সালে ছিল ৯৪% এবং ২০১২ সালে ছিল ৯৫%।
স্টক ইতিহাস
ফেসবুক স্টকের চার্ট
- ডিসেম্বর ২২, ২০১৪ সর্বকালের উচ্চ সমাপ্তি $৮১.৮৯ closing high
- ডিসেম্বর ২৩, ২০১৪ দিন সূচক $৮২.১৭ All-time intra-day high[FB ID: Prince Sakile]
একত্রীকরণ এবং অধিগ্রহণ
মূল নিবন্ধ: ফেসবুকের অধিগ্রহণের তালিকা
নভেম্বর ১৫, ২০১০ সালে ফেসবুক ঘোষনা করে এটি আমেরিকান ফার্ম বিউরো ফেডারেশন থেকে ডোমেইন নাম এফবি.কম কিনে নিয়েছে যার মূল্য তারা গোপন রেখেছে। ২০১১ সালের ১১ই জানুয়ারি, আমেরিকান ফার্ম বিউরো ফেডারেশন জানায় $৮.৫ মিলিয়ন ডলারে তারা ডোমেইনটি বিক্রি করে। যার ফলে এই ডোমেইন বিক্রয় ডোমেইন বিক্রির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মূল্যের বিক্রিত দশটি ডোমেইনে জায়গা করে নিয়েছে।অফিস
২০১১ সালের শুরুর দিকে ফেসবুক ঘোষনা করে তাদের নতুন মূল অফিস সান মাইক্রোসিস্টেমের ক্যাম্পাস ম্যানলো পার্কে সরানোর পরিকল্পনার কথা।[২৫] আমেরিকা এবং কানাডার বাইরে সকল ব্যবহারকারীর ফেসবুকের আইরিস অধীনস্ত কোম্পানি "ফেসবুক আয়ারল্যান্ড লি." সাথে চুক্তিবদ্ধ। এর ফলে যারা ইউরোপ, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ফেসবুক ব্যবহার করেন তাদের জন্য কোন আমেরিকান কর ফেসবুককে দিতে হয় না। ফেসবুক দ্বৈত আইরিশ সমঝোতা ব্যবহার করছে যার ফলে আন্তজার্তিক আয়ের উপর তাদের ২-৩% করর্পোরেশ কর দিতে হচ্ছে।২০১০ সালে ফেসবুক তাদের চতুর্থ অফিস খুলে হায়দ্রাবাদে এবং এশিয়ায় সেটিই প্রথম। ফেসবুক ঘোষনা করে তাদের হায়দ্রাবাদ কেন্দ্র ব্যবহার করা হবে বিজ্ঞাপন এবং ডেভেলপার সমর্থন দলের কাজে এবং বৃত্তাকারে ব্যবহারকারী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের বহুভাষী সমর্থন দেবে। এর সাথে তারা গুগল, মাইক্রোসফট, ওরাকল, ডেল, আইবিএম এবং কম্পিউটার এসোসিয়েটসের সাথে যোগ দেয় যাদের ইতিমধ্যেই দোকান রয়েছে। হায়দ্রাবাদে এটি নিবন্ধন করা হয়েছে "ফেসবুক ইন্ডিয়া অনলাইন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড" হিসেবে।
ফেসবুক জানিয়েছে তারা হায়দ্রাবাদের কেন্দ্রে কর্মী নেয়া শুরু করেছে যা ফেসবুকের মূল কর্মযজ্ঞে ক্যালিফোর্নিয়া, ডাবলিন (আয়ারল্যান্ড) এবং অস্টিনের (টেক্সাস) পাশাপাশি ভূমিকা রাখবে।
২০১১ সালের এপ্রিলে অরিগনের প্রিন্সভিলে ফেসবুক ডাটা সেন্টার স্থাপন করে যা ৩৮% কম শক্তি ব্যবহার করে তাদের আগের ডাটা সেন্টারের তুলনায়। ২০১২ সালের এপ্রিলে ২য় আরেকটি ডাটা সেন্টার স্থাপন করে উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার ফরেস্ট সিটিতে।[৩৮]
২০১২ সালের পহেলা অক্টোবর ফেসবুকের সিইও জাকারবার্গ মস্কো ভ্রমন করেন রাশিয়ার সামাজিক মাধ্যমের নব্যরীতি উদ্দিপনা জাগাতে এবং রাশিয়ার বাজারে ফেসবুকের অবস্থান বাড়াতে। রাশিয়ার যোগাযোগ মন্ত্রী টুইটারের মাধ্যমে বলেন যে প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রী মেদভেদেব সামাজিক মাধ্যমের আবিষ্কারকে আহবান জানিয়েছেন যেন তিনি রাশিয়ার প্রোগ্রামারদের লোভ দেখানোর পরিকল্পনা বাদ দেন এবং এখানেই একটি গবেষনা কেন্দ্র স্থাপন করেন। রাশিয়ায় ফেসবুকের প্রায় ৯ মিলিয়ন ব্যবহাকারি রয়েছে, যেখানে তাদের নিজস্ব ভিকে সাইটের ব্যবহারকারি আছে ৩৪ মিলিয়ন।
অফিসের ছবি :
স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ পার্কে ফেসবুকের পূর্বের সদর দফতর সম্মুখ, পালো আলটোর, ক্যালিফর্নিয়া
দ্বিতীয় অফিসের ছবি :
ফেসবুকের সদর দফতরের অভ্যন্তরে, ২০১৪
তৃতীয় অফিসের ছবি :
ম্যানলো পার্কে ফেসবুকের সদর দফতরের সম্মুখ
মুক্ত উৎসে অংশগ্রহণ
ফেসবুক ফ্রি এবং মুক্ত উৎসের সফটওয়্যারের ভোক্তা এবং এর উন্নয়নে অবদানকারি। ফেসবুকের অবদানগুলোর মধ্যে আছে হিপহপ ফর পিএইচপি, ফেয়ার শিডিউলার ইন অ্যাপাচি হাডুপ, অ্যাপাচি হাইভ, অ্যাপাচি ক্যাসান্ড্রা এবং মুক্ত গণনা প্রকল্প।ফেসবুক অন্যান্য মুক্ত প্রকল্পেও অবদান রাখে যেমন ওরাকলের মাইএসকিউএল ডাটাবেজ ইঞ্জিন।
ফেসবুক বর্ণনা :
ইতিহাস
২০০৮ সালের ২০শে জুলাই ফেসবুক "ফেসবুক বেটা" সূচনা করে কিছু নির্বাচিত নেটওয়ার্কে, যা ছিল এর ব্যবহারকারি ইন্টারফেসে গুরুত্বপূর্ন পরিবর্তন। মিনি-ফিড এবং ওয়াল সুসংহত করা হয়, প্রোফাইল আলাদা ট্যাবে ভাগ করা হয় এবং সুন্দর করার একটা প্রচেষ্টা নেয়া হয়। প্রথম অবস্থায় ব্যবহারকারিকে পুরনো এবং নতুন চেহারার মাঝে নির্বাচন করতে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সব ব্যবহারকারিকেই নতুন চেহারার ভার্সনে পরিবর্তিত করা হয় যা ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়। ১১ ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে এটি ঘোষনা করে ফেসবুক একটি অতি সাধারণ সাইনআপ বা রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া পরিক্ষণ করে দেখছে।ব্যবহারকারি জীবনলেখ্য (প্রোফাইল)
একক ব্যবহারকারি পাতার ফরমেটটি ২০১১ সালের শেষের দিকে পুর্নগঠন করা হয় এবং যা পরবর্তীতে হয় প্রোফাইল অথবা ব্যক্তিগত টাইমলাইন হিসেবে পরিচিত হয়ে আসছে। ব্যবহারকারিরা তাদের প্রোফাইল ছবি, চিত্র, ব্যক্তিগত আগ্রহ, যোগাযোগ ঠিকানা, জীবনের স্মরনীয় ঘটনা এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: চাকুরি তথ্য) সহকারে তৈরি করতে পারে। ব্যবহারকারিরা একে অন্যের সাথে উন্মুক্ত এবং গোপনীয়ভাবে যোগাযোগ করেতে পারে বার্তা ও চ্যাটের সাহায্যে। এছাড়া ওয়েব সাইট ঠিকানা, ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করে নিতে পারে। ২০১২ সালে পিউ ইন্টারনেট এবং আমেরিকান লাইফ স্টাডি চিহ্ণিত করেন যে ২০ থেকে ৩০ ভাগ ফেসবুক ব্যবহারকারি হল "শক্তিশালী ব্যবহারকারি" যারা ঘনঘন লিংক, পোক, টিউন এবং ট্যাগিং সহ অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করেন নিজের এবং অন্যের সাথে।২০০৭ সালে ফেসবুক যাত্রা করে ফেসবুক পেজের (যাকে ভক্তদের পাতাও ডাকা হয়) যার উদ্দেশ্য ছিল ব্যবহারকারিদের ব্যবসায় এবং কোম্পানির সাথে মিথস্ক্রিয়ায় জড়ানো যা তারা অন্য যেকোন ফেসবুক ব্যবহারকারির প্রোফাইলের সাথে করে থাকে। ৬ই নভেম্বর ২০০৭ সালে ১০০,০০০ বেশি ফেসবুক পেজ তৈরি করা হয়েছিল।
মাইস্পেসের সাথে তুলনা
গণমাধ্যমগুলো অনেকসময় ফেসবুককে মাইস্পেসের সাথে তুলনা করে কিন্তু তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ন পার্থক্য হল পরিবর্তন করার স্তর। অন্য একটি পার্থক্য হল ফেসবুক ব্যবহারকারিদের আসল পরিচয় চায় যা মাইস্পেসে করা হয় না। মাইস্পেসে ব্যবহারকারি তার প্রোফাইল এইচটিএমএল এবং সিএসএসের সাহায্যে সাজাতে পারে কিন্তু ফেসবুক শুধুমাত্র লেখা ভিত্তিক। ফেসবুকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রাখা আছে যার ফলে ব্যবহারকারিরা সেগুলোর দিয়ে নিজেদের প্রকাশ করতে পারে। এতে আছে ওয়াল যাতে ব্যবহারকারি নিজে এবং তার বন্ধুরা তাতে বার্তা প্রকাশ করতে পারে যাতে ব্যবহারকারি তা দেখে। আছে পোক বৈশিষ্ট্য যা একজন আরেকজনের কাছে ভার্চুয়ালি পাঠাতে পারে (একটি বিজ্ঞপ্তি ব্যবহারকারিকে জানিয়ে দেয় যে অন্য ব্যবহারকারি তাকে পোক করেছেন)। ছবি আপলোড করে ব্যবহারকারি অ্যালবাম সাজাতে পারেন, আর স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ব্যবহারকারি তার বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন কর্মকান্ড ভাগাভাগি করে নিতে পারেন। গোপনীয়তার সেটিংয়ের উপর ভিত্তি করে যদি কেউ প্রোফাইল দেখতে পারে তবে সে তার ওয়ালে কি আছে তাও দেখতে পারে। জুলাই ২০০৭ সালে, ফেসবুক ওয়ালে সংযুক্তি যোগ করার সুবিধা দিয়েছে যেখানে আগে শুধু মাত্র লেখা লিখা যেত।খবর/নিউজ ফিড
৬ই সেপ্টেম্বর ২০০৬ সালে খবরের বিষয়টি প্রকাশিত হয় যা প্রতিটি ব্যবহারকারির হোমপেজ আসে এবং বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে যেমন প্রোফাইলে কোন পরিবর্তন, আগত কোন ইভেন্ট বা বন্ধুদের জন্মদিনের খবর ইত্যাদি। এটি স্প্যামারদেরসহ অন্যান্য ব্যবহাকারিদের এই বৈশিষ্ট্যটি বাজেভাবে ব্যবহারের সুবিধা করে দিয়েছে যেমন অবৈধভাবে ইভেন্ট তৈরি বা ভুয়া জন্মদিনের তথ্য দিয়ে অন্য ব্যবহারকারিদের মনোযোগ আকর্ষন করা ইত্যাদি। শুরুতে ফেসবুকের এই খবরের বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহারকারিদের অসন্তুষ্ট করে, কিছু ব্যবহারকারি একে বিশৃঙ্খল এবং অনিচ্ছাকৃত তথ্য ভরপুর হিসেবে অভিযোগ করে, অন্যরা বুঝতে সক্ষম হয় যে এর ফলে একক কোন ব্যক্তির কর্মকান্ড (সম্পর্কের অবস্থার পরিবর্তন, ইভেন্ট, অন্যদের সাথে যোগাযোগ/কথা বলা) অনুসরণ অন্যদের বুঝতে পারার বিষয়টি খুবই সহজ হয়ে গেছে।নোট
২০০৬ সালের আগষ্টের ২২ তারিখ ফেসবুক নোট চালু করা হয়, যা মূলত একটি ব্লগিং বৈশিষ্ট্যের ধারক। এটিতে ট্যাগ এবং ছবি যোগ করা যায়। ব্যবহাকারিরা পরবর্তীতে তাদের জাংগা (Xanga), লাইভজার্নাল, ব্লগার এবং অন্যান্য ব্লগিং সেবা থেকে ব্লগ আমদানি করতে পারার সুবিধা যোগ হয়।চ্যাট
২০০৮ সালের ৭ই এপ্রিলের সপ্তাহে কমেট ভিত্তিক তাৎক্ষনিক বার্তা আদান প্রদান অ্যাপ্লিকেশ চালু করে যা চ্যাট নামে পরিচিত বিভিন্ন নেটওয়ার্কে। এটি ব্যবহাকারিদের বন্ধুদের সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয় আর এটির ডেস্কটপ ভিত্তিক তাৎক্ষনিক বার্তার অ্যাপ্লিকেশনের সাথে মিল রয়েছে।উপহার
২০০৭ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি ফেসবুক উপহার সেবাটি চালু করে। যাতে ব্যবহারকারি বিভিন্ন উপহার তাদের বন্ধুদের পাঠাতে পারে। প্রতিটি এক ডলার করে দাম এবং এর সাথে প্রেরকের নিজস্ব বার্তা জুড়ে দেওয়া যায়।বাজার/মার্কেটপ্লেস
২০০৭ সালের ১৪ই মে ফেসবুক তাদের বাজার বা মার্কেটপ্লেস চালু করে। এতে ব্যবহারকারিরা ফ্রি শ্রেণীবিনস্ত বিজ্ঞাপন দিতে পারে। মার্কেটপ্লেসটিকে ক্রেইগলিস্টের সাথে তুলনা করে সিনেট.কম এবং দুটোর তুলনা হিসেবে দেখায় যে মার্কেটপ্লেসে ব্যবহারকারিরা একই নেটওয়ার্কে থাকলে বিজ্ঞাপন দেখবে আর ক্রেইগলিস্টে যেকেউ এটি দেখতে পারবে।বার্তা
একটি নতুন বার্তার পথ যার নাম প্রজেক্ট টাইটান চালু করা হয় ১৫ই নভেম্বর ২০১০ সালে। কয়েকটি প্রকাশনা এটিকে জিমেইল হত্যাকারি হিসেবে অভিহিক করে, এই নতুন ব্যবস্থার ফলে ব্যবহারকারিরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে ফেসবুক দিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতিতে (যার মধ্যে আছে বিশেষ ইমেইল ব্যবস্থা, লেখ্য বার্তা অথবা ফেসবুক ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ দিয়ে)। যে পদ্ধতিই হোক না কেন তা ইনবক্সে একটি একক সূত্র বা থ্রেড হয়ে জমা হয়। অন্যান্য ফেসবুক বৈশিষ্ট্যের মত ব্যবহারকারি এখানেও কার থেকে বার্তা গ্রহন করবে তা ঠিক করে দিতে পারে তা হতে পারে শুধু বন্ধু, বন্ধুর বন্ধু অথবা যে কেউ। ইমেইল সেবাটি ২০১৪ সালে কম ব্যবহারের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।ফেসবুক ওয়েবসাইট ছাড়াও বার্তাগুলো মোবাইল অ্যাপ থেকে ব্যবহার করা যায়। এর জন্য ফেসবুকের একান্ত একটি অ্যাপ রয়েছে যা ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার নামে পরিচিত।
ভয়েস কল
২০১১ সালে এপ্রিল থেকে ফেসবুক ব্যবহারকারিরা লাইভ ভয়েস কল করতে পারেন ফেসবুক চ্যাট দিয়ে, যা দিয়ে সারা বিশ্বের ব্যবহারকারিরা একে অন্যের সাথে চ্যাট করতে পারেন। এই বৈশিষ্ট্য টি-মোবাইলের নতুন ববস্লেড সেবার আওতায় ফ্রি ব্যবহার করা যায় যার ফলে ব্যবহারকারিরা ভয়েস চ্যাট করতে পারে এবং ভয়েস বার্তা রেখে দিতে পারে।ভিডিও কল
২০১১ সালের ৬ই জুলাই ফেসবুকের ভিডিও কল সেবা চালু করা হয় স্কাইপকে তাদের প্রযুক্তি অংশীদার করে। এতে স্কাইপ রেস্ট এপিআই ব্যবহার করে এক-থেকে-এক ব্যবস্থায় কল করা যায়।ভিডিও দেখা
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফেসবুক ঘোষনা করে তারা প্রতিদিন ১ বিলিয়ন ভিডিও দেখার সুবিধা প্রদান করছে এবং ব্যবহারকারি, পাতা, এবং জনপ্রতিনিধিদের যে সব ভিডিও উন্মুক্ত সেগুলোর গণনা দেখাবে সবাইকে দেখার সুবিধা যোগ করবে। কোন ব্যবহারকারি একটি ভিডিও দেখার পর আরেকটি বাড়তি ভিডিও দেখার সুপারিশ করার বিষয়টি ফেসবুক নিশ্চিত করে। ৬৫ ভাগ ফেসবুকের ভিডিও দেখা হয় ফেসবুক মোবাইল থেকে যার ব্যবহারকারি দিন দিন বাড়ছে এবং ভিডিও দেখার হার ৫০ ভাগে এসে যায় মে থেকে জুলাই মাসে যখন আইসবাকেট চ্যালেঞ্জের হিড়িক পড়ে ফেসবুকে।অনুসরণ
২০১১ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর ফেসবুকে ব্যবহারকারি পাতায় "সাবস্ক্রাইব" বোতাম যোগ করে যা অন্য ব্যবহারকারিদের সাবস্ক্রাইব করা ব্যবহারকারির উন্মুক্ত টিউনগুলো দেখার সুযোগ করে দেয়। এর সাথে ২০১২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পরিচিতি যাচাইয়ের সুবিধা যোগ করে বিশেষ বিশেষ একাউন্টের ক্ষেত্রে। টুইটারের মত যাচাইকৃত পাতাগুলো কোন বিশেষ যাচাইয়ের তকমা রাখে না, কিন্তু সাবস্ক্রিপশনের সুপারিশে অধিক অগ্রাধিকার দেয়।২০১২ সালের ডিসম্বরে ফেসবুক ঘোষনা করে ব্যবহারকারিদের দ্বিধার কথা মাথায় রেখে তারা সাবস্ক্রাইব বোতামকে "ফলো" বোতামে প্রতিস্থাপন করে যার ফলে অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্কের সাথে এতেও মিল থাকে।
গোপনীয়তা
এফটিসি নিষ্পত্তি
২০১১ সালের ২৯শে নভেম্বর, ফেসবুক ইউএস ফেডারেল ট্রেড কমিশনের অভিযোগ নিষ্পত্তি করার জন্য রাজি হয়। অভিযোগটি ছিল ফেসবুক ব্যবহারকারিদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।প্রযুক্তিগত রূপ
২০১৪ সালের ২০শে মার্চ ফেসবুক ঘোষনা করে একটি নতুন মুক্তি উৎসের প্রোগ্রামিং ভাষা "হ্যাকের" কথা। জনসাধারণের কাছে উন্মুক্ত করার আগে ফেসবুকের একটি বড় অংশ এই নতুন ভাষা দ্বারা পরিক্ষন এবং একই সাথে চালানো হচ্ছিল।ফেসবুক মোমেন্টাম প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের বার্তা ব্যবস্থার জন্য যা দিয়ে অসংখ্য আকারের ইমেইল তার ব্যবহারকারিদের কাছে প্রতিদিন পাঠায়।
পছন্দ বোতাম
সামাজিক নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য হল লাইক বোতামটি যার দ্বারা ব্যবহারকারিরা তাদের সাধুবাদ জানায় স্ট্যাটাস আপডেটে, টিউমেন্টে, ছবিতে এবং বিজ্ঞাপনে। এটি একই সাথে ফেসবুক প্লাটফর্মের একটি সামাজিক প্লাগইন, যা শুরু করা হয় ২১শে এপ্রিল ২০১০ সালে।যার ফলে অংশগ্রহণকারি ইন্টারনেট ওয়েবসাইটগুলোকে একই রকম লাইক বোতাম প্রদর্শন করার সক্ষমতা দেয়।ফেসবুক বাগ বাউন্টি কর্মসূচি
ফেসবুকের একটি "হোয়াইট হ্যাট" ডেবিট কার্ড, গবেষকরা যা নিরাপত্তা ঝুঁকি ধরিয়ে দেবার বিনিময়ে প্রদান করে
বিশ্বব্যাপি অভ্যর্থনা

সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক দেশ অনুযায়ী
সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক দেশ অনুযায়ী
টেমপ্লেট:ফেসবুকের বিকাশ
২০১৩ সালের জানুয়ারিতে, দেশভিত্তিক বেশিরভাগ ব্যবহারকারি ফেসবুকে ছিল:
- আমেরিকায় ১৬৮.৮ মিলিয়ন সদস্য
- ব্রাজিলে ৬৪.৬ মিলিয়ন সদস্য
- ভারতে ৬২.৬ মিলিয়ন সদস্য
- ইন্দোনেশিয়ায় ৫১.৪ মিলিয়ন সদস্য
- মেক্সিকোতে ৪০.২ মিলিয়ন সদস্য
সমালোচনা এবং বিতর্ক
সরকার কতৃক বন্ধ হওয়া
ফেসবুক অনেক দেশেই বারেবারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারনে বন্ধ করা হয়েছে যার মধ্যে আছে চীন, ইরান, উজবেকিস্থান, পাকিস্থান, সিরিয়া, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম এবং উত্তর কোরিয়া। উদাহরণসরূপ এটি পৃথিবীর অনেক দেশেই ধর্মীয় বৈষম্য ও ইসলাম বিরোধী কর্মের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। অনেক জায়গায় অফিসের কর্মীদের কর্ম সময়ে ফেসবুক ব্যবহার না করার জন্য বন্ধ করা হয়েছিল। ফেসবুকে ব্যবহারকারির গোপনীয়তাও একটি সমস্যা হয়ে দেখা দেয় এবং তার নিরাপত্তাও বিভিন্ন সময় আপোস-মীমাংসা হয়। ফেসবুক একটি মামলা লড়ে সোর্স কোড এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মামলায়। ২০১১ সালের মে মাসে সাংবাদিক এবং ব্লগারদের কাছে ইমেইল পাঠানো হয় গুগলের গোপনীয়তার নীতির অভিযোগ নিয়ে। যদিও শেষে দেখা যায় যে, গুগল প্রতিরোধকল্পে পিআর খ্যাত বারসন-মারসটেলার এটি করে এবং অর্থদাতা ছিল ফেসবুক যা সিএনএন সহ বেশ কিছু গণমাধ্যমে সমালোচিত হয়। ফেসবুক কুর্দিস্থানের রাজধানী আরবিলে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয় নিরাপত্তা জনিত কারনে।ইভেন্টে মাত্রাতিরিক্ত ভিড়
২০১১ সালে জার্মানির কতৃপক্ষ ফেসবুকের ইভেন্ট বৈশিষ্ট্যটি বন্ধ করার বিষয়ে আলোচনা করে। এই সিদ্ধান্তের জন্য অসংখ্য ঘটনা রয়েছে যাতে আসলে দাওয়াত না দেয়া সত্বেও মানুষ চলে এসেছে ইভেন্টে এমন ঘটনা দায়ী। একটি ঘটনায় দেখা যায় প্রায় ১৬০০ অতিথি একটি হামবার্গে মেয়ের ১৬তম জন্মদিনে উপস্থিত হয়েছেন কারন মেয়েটি তার জন্মদিনের ইভেন্টটিকে ফেসবুকে অসাবধানতা বশত পাবলিক বা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। এই ঘটনায় একশরও বেশি পুলিশকে নামাতে হয়েছিল ভিড় সামলাতে। এতে একজন পুলিশ অফিসার আহত এবং এগার অংশগ্রহনকারি আটক করা হয়েছিল বিভিন্ন কারনে। এমন অন্য একটি ঘটনায় দেখা যায়, ৪১ তরুনকে আটক করা হয়েছে এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন।ব্রিটিশ অফিসে কর্মীদের ফেসবুক ব্যবহারে বাধা
২০০৭ সালে প্রতিবেদনে বলা হয় ৪৩% ব্রিটিশ অফিস কর্মী কর্মক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা হয় কারন দেখানো হয় কর্মীদের উৎপাদনশীলতা হ্রাস এবং ব্যবসায়িক গোপনীয়তা ফাঁস।একাউন্ট হ্যাক
২০১১ সালের নভেম্বরে, ভারতের ব্যাঙ্গালোরের অনেকগুলো ফেসবুক ব্যবহারকারি জানায় যে তাদের একাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে এবং তাদের প্রোফাইল ছবি অশ্লীল ছবি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ব্যবহারকারিদের নিউজ ফিড অশ্লীল, হিংস্র ও যৌনতা ভিত্তিক বিষয়বস্তু দ্বারা স্প্যাম প্লাবিত হয় এবং প্রতিবেদনে বলা হয় ২০০,০০০ বেশি একাউন্ট এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ফেসবুক এই প্রতিবেদনকে অসত্য বলে বর্ণনা করে এবং ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ বিষয়টি পরিদর্শন করে টিউমেন্ট করেন যে হয়ত এটি ফেসবুকের প্রতিযোগীদের কোন গুজব হতে পারে।প্রভাব
ফেসবুক ইর্ষা
সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গেছে ফেসবুকের কারণে আত্ম-সম্মানে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে যা ইর্ষার জন্ম দেয় যেমন অবকাশ এবং ছুটির দিনের ছবি কথা। অন্যান্য ইর্ষার কারনগুলোর মধ্যে আছে বন্ধু বান্ধবের পারিবারিক সুখী এবং কারো দৈহিক সোন্দর্যের ছবি। এধরনের ইর্ষান্বিত অনুভূতি মানুষকে তাদের জীবনে একা এবং অতৃপ্ত করে দেয়। জার্মান দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষনায় দেখা গেছে তিন জনের মধ্যে একজন ফেসবুক চালানোর পর নিজেদের জীবন নিয়ে অসন্তুষ্ট। এবং অন্য একটি গবেষনা যা উটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক পরিচালিত হয়েছিল, উঠে আসে যে, ফেসবুকে সময় কাটানোর বাড়ানোর পর তারা তাদের জীবন সম্পর্কে নিকৃষ্ট অনুভূতি হয়েছিল।নির্বান্ধব করার মানসিক প্রভাব
মনোবিজ্ঞানি সুজান ক্রাস হুইটব্রানের মতে যদিও ফেসবুকে বন্ধু করার ব্যপারটিই প্রবল, তবু্ও সেখানে কাউকে আনফ্রেন্ড বা নিবান্ধব করা বা ফিরিয়ে দেয়ার খারাপ প্রভাব রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন নিবান্ধব করা লোকটি ফেসবুকের বিচ্ছেদের শিকার। অন্য দিকে আনফ্রেন্ড করে দেওয়া কদাচিৎ পাস্পরিক সিদ্ধান্তে হয় এবং প্রায়শই দেখা যায় যাকে আনফ্রেন্ড করা হয়েছে তিনি তা জানেন না।সর্বাধিক জনপ্রিয় পাতা
জুলাই ২০১৪ সালে সাকিরা প্রথম প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হন যার পাতা ১০০ মিলিয়ন লাইক পার করে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালডো ছিলেন দ্বিতীয় ব্যক্তি যার লাইক ১০০ মিলিয়নে পৌ্ছায়। এরপরই আছেন্ রিহানা (৯৮ মিলিয়ন) এবং এমিনেম (৮৯ মিলিয়ন)। মার্ক জাকারবার্গ অভিনন্দনসূচক বার্তা রাখেন তাদের ওয়ালে।জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে
- আমেরিকান লেখক বেন মাজরিচ ২০০৯ সালের জুলাইয়ে একটি বই প্রকাশ করেন জাকারবার্গ এবং ফেসবুকের প্রতিষ্ঠা নিয়ে, বইটির নাম দ্য এক্সিডেন্টাল বিলিয়নিয়ারস: দ্য ফাউন্ডিং অব ফেসবুক, এ টেল অব সেক্স, মানি, জিনিয়াস, এন্ড বিট্রেয়াল।
- দ্য সোস্যাল নেটওয়ার্ক একটি নাট্য চলচ্চিত্র মুক্তি পায় ২০১০ সালের পহেলা অক্টোবরে, পরিচালক ছিলেন ডেভিড ফিঞ্চার। এটি বেন মাজরিচের বইয়ের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। জাকারবার্গ দাবি করেন দ্য সোস্যাল নেটওয়ার্ক ঠিক ভাবে উপস্থাপিত হয়নি।
- এভরিবডি ড্র মোহাম্মদ ডে বির্তকের হেতু ধরে এবং পাকিস্থানে ওয়েবসাইট নিষিদ্ধ করার ফলে একটি ইসলামিক ভার্সনের ওয়েবসাইট তৈরী করা হয় যার নাম মিলাতফেসবুক।
- ২০১০ সালের এপ্রিলে তৈরি করা আমেরিকান হাস্যরসাত্মক কার্টুন সাউথ পার্কের "ইউ হেভ জিরো ফ্রেন্ডস" একটি পর্ব যা ফেসবুক নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক রূপে উপস্থাপ করা হয়।
Facebook parade float in San Francisco Pride 2014
- ২০০৮ সালে ইংল্যান্ড ব্রাডফোর্ডের আইভি বিন, ১০২ বছর বয়সে ফেসবুকে যোগ দেন। এভাবে তিনি ফেসবুকের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পান। জুলাই ২০১০ সালে তার মৃত্যুর সময় তার বন্ধুর সংখ্যা ছিল ৪৯৬২ জন এবং টুইটারে তার অনুসরণকারী ছিল ৫৬০০০ জন।
- ২০১১ সালের ১৬ই মে ইসরাইলের এক দম্পতি ফেসবুকের "লাইক" বৈশিষ্ট্যের অনুকরণে তাদের মেয়ের নাম রাখেন।




